প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রথম রাউন্ডে স্পেনের কাছে পরাজিত ক্রোয়েশিয়া নিজেদের মাঠে ম্যাচের শুরুতেই লিড গ্রহণ করে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে জোড়া গোল করে স্পেনকে একটি অসাধারণ জয় উপহার দেন মিকেল মেরিনো। ম্যাচের শেষের দিকে ক্রোয়েশিয়ার একমাত্র গোলদাতা ইভান পেরিসিচ লাল কার্ড দেখার পর ১০ জনের দলে পরিণত হয়ে ক্রোয়েশিয়া আর ম্যাচে ফিরে আসতে পারেনি।
চারটি ম্যাচ খেলে সবগুলোতেই জয় নিয়ে ১২ পয়েন্ট সংগ্রহ করে ‘এ’ লিগের তিন নম্বর গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে স্পেন। অপরদিকে, সমান সংখ্যক ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ক্রোয়েশিয়া।
ম্যাচের শুরু থেকেই কৌশলগতভাবে দল সাজান ক্রোয়েশিয়ান কোচ। তারা মাঝমাঠে বল দখলের লড়াইয়ে না গিয়ে স্পেনের ব্যাকলাইন থেকে বিল্ড-আপ প্লে নষ্ট করার দিকে মনোযোগ দেয়। ক্রোয়েশিয়া আক্রমণে স্পেনের রক্ষণের দুই উইং-ব্যাক পজিশন ধরে এগিয়ে যেতে থাকে। এর ফলস্বরূপ তারা দ্রুত গোল পায়।
১৭তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত ধরে একটি চমৎকার কাউন্টার অ্যাটাক থেকে কোণঘেঁষা শটে ইভান পেরিসিচ দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। গোল পাওয়ার পর ক্রোয়েশিয়া মিডব্লকে নেমে এসে নিজেদের ডি-বক্সের আশপাশে জায়গা সংকুচিত করে ফেলে, ফলে প্রথম অর্ধে স্পেনের প্রথাগত পজেশন ভিত্তিক ফুটবল খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধে পিছিয়ে থাকা স্পেন খেলার ধরণ পরিবর্তন করতে দ্রুত মিডফিল্ডে পরিবর্তন আনে। মিকেল মেরিনো মাঠে নামার পর স্পেনের পুরো আক্রমণভাগে নতুন গতি সঞ্চারিত হয়। স্পেন তাদের বল পজেশন আগের চেয়ে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক করে তোলে এবং পুরো ম্যাচে প্রায় ৭২ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রাখে।
উইং থেকে বল ভেতরে এনে ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্সিভ ব্লককে একের পর এক পাসে ব্যস্ত রাখে স্প্যানিশ মিডফিল্ডাররা। ৬১তম মিনিটে দানি ওলমোর বাড়িয়ে দেওয়া সূক্ষ্ম পাসে বক্সে ঢুকে চমৎকার ফিনিশিংয়ে স্পেনকে ১-১ সমতায় ফেরান মেরিনো। গোলটির পেছনে ছিল স্পেনের দ্রুত পাসিং ও পজিশন পরিবর্তনের নিখুঁত প্রয়োগ।
ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে ঘটে চরম নাটকীয়তা। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পাশাপাশি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন স্বাগতিকদের গোলদাতা ইভান পেরিসিচ।
একজন কম নিয়ে খেলতে গিয়ে ক্রোয়েশিয়া পুরোপুরি জমাট রক্ষণাত্মক কৌশল অবলম্বন করতে বাধ্য হয়, যা স্পেনের উইং-ব্যাক ও মিডফিল্ডারদের আক্রমণভাগে অবাধে বিচরণের সুযোগ করে দেয়। এই সুযোগকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে ৮৮তম মিনিটে জুবিমেন্দির চতুর পাস ধরে ডি-বক্সের ভেতর থেকে ক্লাসিক ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে স্পেনকে ২-১ ব্যবধানের জয় এনে দেন মেরিনো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন