প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিজের লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা স্বাক্ষর করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার সিডনি টাওল মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ২৬ বছর।
এবং খবরটি প্রকাশ করেছে বিবিসি।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তার পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়। পরিবার জানায়, পিত্তনালির ক্যানসার (বাইল ডাক্ট ক্যানসার) শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার জটিলতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।
টিকটকে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় সিডনির ভাই অস্টিন টাওল, মায়ের উপস্থিতিতে জানান, ‘প্রায় তিন বছর ধরে কোলাঞ্জিওকারসিনোমার (পিত্তনালির ক্যানসার) সঙ্গে লড়াই করার পর গত রাতে সিডনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে।’
মৃত্যুর কয়েক দিন আগে সিডনিকে হসপিস কেয়ারে নিয়ে যাওয়া হয়। মৃত্যুর সময় তিনি নিউইয়র্ক সিটিতে বাস করছিলেন। তার টিকটক অনুসারীর সংখ্যা ছিল ১০ লাখেরও বেশি এবং ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারী ছিল ২ লাখেরও বেশি।
গত তিন বছর ধরে তিনি কেমোথেরাপি নিচ্ছিলেন। ক্যানসারের সঙ্গে প্রতিদিনের লড়াই, আশা, আনন্দ এবং সংগ্রামের নানা মুহূর্ত তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত শেয়ার করতেন।
সিডনির এই যাত্রা লাখো মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল।
পরিবার এক বিবৃতিতে জানায়, ‘সিডনি যেভাবে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে এবং এত মানুষকে নিজের যাত্রা ভাগ করে নিয়েছে, তা নিয়ে আমরা অনেক গর্বিত।’
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘দুর্লভ ধরনের ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং মানুষকে নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন ও সোচ্চার হতে উৎসাহিত করা ছিল সিডনির প্রধান লক্ষ্য। আমরা তার পরম্পরা ধরে রাখব এবং সবসময় তাকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করব।’
সিডনির মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হওয়ার পর তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলোতে হাজার হাজার অনুসারী শোক প্রকাশ করেন।
অনেকে সিডনির পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি তার সাহসিকতা ও অনুপ্রেরণামূলক জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন