প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের আকাশসীমা ব্যবহারকারী বিদেশি উড়োজাহাজ থেকে ওভারফ্লাইং চার্জ আদায়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নতুন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) টাওয়ার এবং রাডার ব্যবস্থা চালুর পর এই আয় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে ওভারফ্লাইং খাত থেকে আয় হয়েছে ৪১৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এই আয় প্রায় ৮ থেকে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বেবিচকের কর্মকর্তারা জানান, নতুন রাডার ব্যবস্থা চালুর ফলে বাংলাদেশের আকাশসীমায় চলাচলকারী উড়োজাহাজ শনাক্তকরণ ও পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে আকাশসীমা ব্যবহারের বিপরীতে নির্ধারিত ফি আদায় আরও কার্যকর হয়েছে। একই সঙ্গে উড়োজাহাজ চলাচলের নিরাপত্তাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বেবিচকের এয়ার কমোডর মোহাম্মদ নূরী আলম বলেন, পূর্বে ওভারফ্লাইং থেকে প্রতি মাসে গড়ে ৬০ থেকে ৬১ কোটি টাকা আয় হতো। বর্তমানে এই আয় বেড়ে প্রায় ৬৯ থেকে ৭১ কোটি টাকা হয়েছে। নতুন রাডার চালুর ফলে ভবিষ্যতে এই আয় আরও বৃদ্ধি করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
ফ্রান্সের থ্যালাস কোম্পানির প্রযুক্তিতে নতুন রাডার ব্যবস্থা স্থাপনে সরকারের ব্যয় হয়েছে ৯৪২ কোটি টাকা। বেবিচকের কর্মকর্তাদের ধারণা, বর্তমান হারে আয় বৃদ্ধি পেতে থাকলে ১৬ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে রাডার স্থাপনে সরকারের ব্যয় উঠে আসতে পারে।
মোহাম্মদ নূরী আলম বলেন, নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে উড়োজাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে দূরত্বের ভিত্তিতে পৃথকীকরণ (সেপারেশন) দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। ফলে নির্দিষ্ট একটি রুটে আগের তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি উড়োজাহাজ একই সময়ে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এতে ভবিষ্যতে রাজস্বও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তবে এ জন্য আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে বলে তিনি জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন