প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় কাঠাঁখালি খালের ওপর পাঁচটি বাঁধ নির্মাণের ফলে ছোট-বড় বাঁধগুলোর কারণে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হয়ে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এতে উপজেলার মুছাপুর ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড ও মগধরা ২,৩ নং ওয়ার্ড এলাকার প্রায় ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে খালের ওপর নির্মিত বাঁধগুলো অপসারণ না করায় বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। সাম্প্রতিক সাতদিনের ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। বিভিন্ন এলাকায় বসতবাড়ি, গ্রামীণ সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক পরিবার ঘরবন্দী হয়ে পড়েছে এবং তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী জানান, খালের উপরে মাটি ভরাট করে দোকান নির্মাণ এবং পানি নিষ্কাশনের যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা ক্রমাগত বাড়ছে। কৃষিজমিতে জমে থাকা পানির কারণে মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অনেক মাছের ঘের ও পুকুরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
মুছাপুর ৯ নং ওয়ার্ডবাসীর অভিযোগ, একাধিক ব্যক্তি নিজস্ব স্বার্থের জন্য খালের ওপর বসতঘর, দোকানপাট ও মাছ ধরার জন্য বাঁধ নির্মাণ করে এ সংকট তৈরি করেছেন। তারা দাবি করছেন, দ্রুত দোকান এবং বাঁধগুলো অপসারণ করে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা হোক। একই সঙ্গে তারা ভবিষ্যতে যাতে খাল দখল বা অবৈধ বাঁধ নির্মাণ না হয়, সে জন্য উপজেলা প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান করেছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন, ইউ.এন.ও. আমজাদ হোসেনকে তিন দিন আগে অবহিত করা হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
এলাকাবাসীর আশা, যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তবে জলাবদ্ধতা কমবে এবং পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন