শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৪ পি.এম
ভারতের দক্ষিণ দিল্লির আস্থা কুঞ্জ পার্কে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে ছুরি দেখিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্টে (এফআইআর)। এই ঘটনার সাথে জড়িত তিনজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এফআইআরের তথ্য অনুসারে, গত সোমবার কিশোরীটি তার বান্ধবীর সঙ্গে কালকাজি মন্দিরে পূজা দিতে গিয়েছিল। পূজা শেষে বিকাল পৌনে ছয়টার দিকে তারা পাশের ইসকন মন্দিরে যাওয়ার আগে আস্থা কুঞ্জ পার্কের একটি বেঞ্চে বসে ছিল।
রাত সাতটার দিকে ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তিন ব্যক্তি হঠাৎ করে কিশোরীর বন্ধুকে ধরে চড়-থাপ্পড় মারতে শুরু করে। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে এলাকাটি ফাঁকা করতে বলে।
কিশোরীর বর্ণনা অনুযায়ী, তাদের একজন বন্ধুকে পার্কের অন্য কোনায় নিয়ে যায়। একা পেয়ে কিশোরীটি আকুতি জানিয়ে তার মায়ের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে আসিফ নামের এক অভিযুক্তকে উদ্দেশ্য করে অন্য একজন বলে ওঠে, ‘আসিফ ভাই, বন্দুক বের করো।’
কিশোরী পুলিশকে দেওয়া জবানবন্দিতে জানায়, আসিফ তাকে একটি কালো রঙের বন্দুক দেখিয়ে আবার পকেটে রেখে দেয়। এরপর দুজনই ছুরি বের করে তাকে একটি অন্ধকার স্থানে নিয়ে যায়।
পার্কের বেঞ্চে আসিফ তার গলায় ছুরি ধরে প্রথমে ধর্ষণ করে এবং হেমু নামের অপর অভিযুক্তকে পাহারা দিতে বলে। এরপর তাকে পর্যায়ক্রমে হেমন্ত ও মুকেশ নামের অন্য দুই অভিযুক্তও ধর্ষণ করে।
অভিযুক্তদের আসল নাম আসিফ, হেমন্ত (হেমু) ও মুকেশ (দিপু)। তাদের মধ্যে হেমন্ত ও মুকেশ দুই ভাই। ধর্ষণের পর কিশোরী ও তার বন্ধুকে হত্যার হুমকি দিয়ে মোবাইল ফোন ফেরত দেয়। এরপর তারা কিশোরীকে পার্ক থেকে বের করে দেয়। পার্ক থেকে বের হয়ে বন্ধুকে পুরো ঘটনা জানালে সে জরুরি সেবা নম্বরে (পিসিআর) কল করে এবং পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে।
ঘটনার পর আসিফ ওখলা সবজি বাজারে গিয়ে নিজের মোবাইল বন্ধ করে বাইকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মঙ্গলবার এক বন্দুকযুদ্ধের পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
অন্যদিকে হেমন্ত ও মুকেশ প্রমাণ মেটাতে নিজেদের পোশাক ধুয়ে ফেলে এবং পরবর্তী সময়ে শ্রীনিবাসপুরীর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস করাতে ‘জনাব’-এর মতো পুলিশি শব্দ ব্যবহার করেছিল।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর ক্যারিয়ারে সাফল্যের পাশাপাশি কিছু অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। কখনও কখনও ছবিতে চূড়ান্ত হওয়ার পর তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে, আবার কখনও সেই সিদ্ধান্তের সঠিক কারণ জানানো হয়নি। সম্প্রতি এক আলাপচারিতায় তাপসী জানিয়েছেন, একবার নায়কের স্ত্রী তাকে পছন্দ করেন না, এই কারণে তাকে সিনেমা থেকে বাদ পড়তে হয়েছিল।
নয়নদীপ রক্ষিতের সঙ্গে আলাপচারিতায় তাপসী জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন অবস্থায় শুটিংয়ের সময় ঘটে যাওয়া অনেক বিষয়কে তিনি কাজের স্বাভাবিক অংশ হিসেবে গ্রহণ করতেন। কিন্তু ছবিটি মুক্তির পর তিনি উপলব্ধি করেন, সব ঘটনা আসলে এতটা স্বাভাবিক ছিল না।
একটি ছবিতে বাদ পড়ার প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ছবিটির জন্য তিনি নিজের শুটিংয়ের তারিখও নির্ধারণ করেছিলেন। কিন্তু পরে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে তাকে নির্দিষ্ট কোনও কারণ জানানো হয়নি।
তাপসী বলেন, “আমাকে বলা হয়েছিল, ছবির নায়কই আমাকে সরিয়ে দিয়েছেন। ঈশ্বরই জানেন কারণটা কী। আমি বিভিন্ন কারণের কথা ভাবতে থাকি। তার নিরাপত্তাহীনতা থাকতে পারে, হয়তো এমন কাউকে চাইছিলেন যার সঙ্গে তিনি বেশি ঘনিষ্ঠ। আমি অনেক কারণই ভাবতে পারি। কিন্তু আমাকে কোনও নির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি। শুধু বলা হয়েছিল, তিনি আমাকে ছবিতে চান না। কারণ জানতে চাইতেই আমি বারবার প্রশ্ন করতে থাকি।”
এমন অভিজ্ঞতা তাপসীর জন্য নতুন নয়। এর আগে তিনি ছবি থেকে বাদ পড়ার কথা উল্লেখ করেছিলেন। ২০২১ সালে সিদ্ধার্থ কাননের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, একটি ছবির জন্য তাকে চূড়ান্ত করা হয়েছিল। পরে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং সেই খবর তিনি সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পারেন।
তাপসী জানিয়েছিলেন, পরে তাকে ফোন করে ক্ষমা চাওয়া হলেও কেন তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, সেই আসল কারণ জানাতে নির্মাতারা তখনও দ্বিধায় ছিলেন। ঘটনাটি ‘পতি পত্নী অউর ওহ’ ছবিকে ঘিরে বলে মনে করা হয়। পরে ছবিটিতে অভিনয় করেন কার্তিক আরিয়ান, ভূমি পেডনেকর ও অনন্যা পাণ্ডে।
সেই সময় প্রকাশ্যেই ছবি থেকে বাদ দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তাপসী। যদিও প্রযোজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ওই চরিত্রের জন্য বেশ কয়েকজন অভিনেত্রীর কথা ভাবা হয়েছিল এবং তাপসীর সঙ্গে কোনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি।
তবে তাপসীর ক্যারিয়ারে ছবি থেকে বাদ পড়ার সবচেয়ে অস্বস্তিকর কারণগুলোর একটি ছিল নায়কের স্ত্রীকে ঘিরে। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, “আমাকে ছবি থেকে বাদ দেওয়ার সবচেয়ে খারাপ কারণ যেটা বলা হয়েছিল, তা হল, ‘নায়কের স্ত্রী আপনাকে পছন্দ করেন না।’ আমি জানি না, কেন তিনি আমাকে পছন্দ করতেন না।”
তাপসী পান্নুকে সর্বশেষ দেখা গেছে নেটফ্লিক্সের ছবি ‘গান্ধারী’-তে। ২০২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছে ছবিটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কাউকে কারও কাছে যেতে হবে না। তিনি জানান, নির্ধারিত সময় আসলে ফ্যামিলি কার্ড সবার ঘরে পৌঁছে যাবে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার শালখুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভায় তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।
মন্ত্রী বিএনপির নেতা-কর্মীদের গুজব প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার দেশের মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বেকার সমস্যা নিরসন, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান এবং মসজিদ, মন্দির ও গির্জায় অনুদান দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে এসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোকবুলার রহমান গোর্কী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনের বিভিন্ন গোষ্ঠী মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে নিখুঁত হামলা চালাতে ইরানকে গোপন স্যাটেলাইট ও গোয়েন্দা তথ্য (Geospatial Intelligence) সরবরাহ করছে। সিএনএন-এর একটি এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনটি জানাচ্ছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরানের হামলা চালানোর সক্ষমতা এবং লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের কৌশল উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে দেখা গেছে, গত জুলাই মাসে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের সুনির্দিষ্ট ড্রোন হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় ব্যবহৃত তথ্য চীনের স্যাটেলাইট সরবরাহ করেছিল।
এছাড়া, Strategic waterway বা কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী মার্কিন যুদ্ধজাহাজের পাহারা (US military escorts) ও বাণিজ্যিক জাহাজ ট্র্যাক করতে চীনের জিওস্প্যাশিয়াল প্রযুক্তি ইরানকে সহায়তা করছে। এর ফলে ইরান তাদের তুলনামূলক কম মেকানিক্যাল প্রযুক্তির 'হিট-সিকিং ড্রোন' নির্দিষ্ট ভৌগোলিক পয়েন্টে পৌঁছালে সঠিক সময়ে একযোগে উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম হচ্ছে, যা মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেইজিং সরকার সরাসরি এই তথ্য আদান-প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে কিনা, নাকি চীনভিত্তিক বেসরকারি বা বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট সংস্থাগুলোর মাধ্যমে এসব তথ্য গোপনে ইরানের কাছে পৌঁছাচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
চীন সরকারের পক্ষ থেকে এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে এবং তারা জানাচ্ছে যে আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পালন করে এবং অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখার পক্ষেই অবস্থান করছে। তবে, বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালীতে এই প্রক্সি তথ্য-যুদ্ধ বিশ্ব ভূ-রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ বিভাগীয় কবীর-লালন ভাবসংগীত উৎসব শেরপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আয়োজিত এই বিভাগীয় উৎসবের চতুর্থ আয়োজনটি দর্শক-শ্রোতার মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে।
লালন বিশ্বসংঘের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই উৎসবের শ্লোগান ছিল ‘মহতী ভাবসংগীত অহিংস মানবাত্মার খোরাক আর হিংসাত্মক উগ্রবাদ বিশ্বমানবতার দুশমন’। দেশের ৮টি বিভাগব্যাপী চলমান কবীর-লালন ভাবসংগীত জনমনে বিপুল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই আয়োজন শুরু হয় ১১ সেপ্টেম্বর এবং চলবে আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ময়মনসিংহ বিভাগে অনুষ্ঠিত চতুর্থ আয়োজনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বাউল সমিতির সহসভাপতি বাউল তারা মিয়া। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন শেরপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক এ বি এম মামুনুর রশিদ পলাশ।
উদ্বোধনকালে বাউলশিল্পী তারা মিয়া মন্তব্য করেন, ‘কবীর-লালনের ভাবসংগীত এখনো সাধারণ মানুষ বুঝে বা না বুঝে প্রাণভরে শোনে, কারণ তা অহিংস ও শান্তিপ্রিয় মানবাত্মার অপরিহার্য খোরক। আর হিংসা-নৃশংসতা নিয়ে হিংসাত্মক উগ্রবাদের দোসরেরা বাউলদের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে, ভাবগানের অনুষ্ঠানে বাধা দেয়, তারা বিশ্বমানবতার দুশমন। কবীর ও লালন, দুজনেই প্রেমের সৈনিক। প্রেমের নিষ্ঠা দিয়ে তারা বিশ্ববাসীর হৃদয় জয় করেছেন। মানবসভ্যতা যতদিন থাকবে, ততদিন তাদের কালজয়ী বাণী অক্ষয় সম্পদরূপে মানব হৃদয়ে সংরক্ষিত থাকবে। কোনো শক্তিই এর বিনাশ করতে পারেনি, কোনো দিন পারবেও না।’
আলোচনায় অংশ নেন শেরপুর নৃত্যকলা কেন্দ্রের পরিচালক কমল কান্তি পার, সমাজসেবী রাজিয়া সামাদ ডালিয়া, শেরপুর মডেল গার্লস ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সরওয়ার জাহান তপন, শেরপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি মো. আবদুর রফিক মজিদ। সভাপতিত্ব করেন লালন বিশ্বসংঘের প্রধান নির্বাহী আবদেল মান্নান।
উৎসবে ‘কবীর থেকে লালন : চিরন্তন প্রেমের এক অক্ষয় সেতুবন্ধন’ শীর্ষক সংগীতালেখ্য পরিবেশন করেন কবীর-লালন মিউজিক্যাল মিশনের শিল্পীরা।
এছাড়া, রাজশাহী বিভাগের উৎসব আগামী শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে পদ্মা নদীর পারে লালন শাহ মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধন করবেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক শিল্পী মাসুদ চৌধুরী। প্রধান অতিথি থাকবেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, বিশেষ অতিথি থাকবেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ