প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম প্রতিরোধ এবং তদারকি জোরদার করার লক্ষ্যে। এখন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শনের জবাব, কারণ দর্শানোর নোটিশের ব্যাখ্যা অথবা এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ চিঠিপত্র পাঠাতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং প্রধান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ কর্মকর্তার (ক্যামেলকো) যৌথ স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিভাগ (এএমএলডি) এই সংক্রান্ত একটি সার্কুলার প্রকাশ করেছে। সার্কুলারটি দেশের সকল ব্যাংক, ফাইন্যান্স কোম্পানি এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ও বিশেষ পরিদর্শন পরিচালিত হয়। পরিদর্শনের সময় যদি কোনো অনিয়ম বা অসংগতি ধরা পড়ে, তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে জবাব চাওয়া হয় অথবা কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এসব গুরুত্বপূর্ণ চিঠির জবাবে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা এমডির সরাসরি স্বাক্ষর অনুপস্থিত থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় এই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শনের জবাব, বিশেষ আর্থিক হিসাবসংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং কারণ দর্শানোর নোটিশের ব্যাখ্যা এমডি বা সিইও এবং ক্যামেলকোর যৌথ স্বাক্ষরে জমা দিতে হবে।
যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে এমডি পদ শূন্য থাকে অথবা এমডি অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে আইন অনুযায়ী যিনি ওই পদে দায়িত্ব পালন করছেন তার স্বাক্ষর নিতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক উল্লেখ করেছে, গুরুত্বপূর্ণ এসব জবাব ও নথিতে প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের যৌথ স্বাক্ষর থাকলে দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হবে এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে তদারকি আরো কার্যকর হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন