ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

লালমনিরহাটে কিশোর গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী


লালমনিরহাটে কিশোর গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী

লালমনিরহাট, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু মন্তব্য করেছেন যে, কিশোর গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট লালমনিরহাটে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। আজ শনিবার বিকালে লালমনিরহাট জেলা স্টেডিয়ামে ‘জেলা প্রশাসক আলোকিত কিশোর গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, ২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এই কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের সহযোগিতায় লালমনিরহাটে ক্রীড়া ক্ষেত্রে প্রাণের সঞ্চার ঘটেছে। সরকারের সদিচ্ছা ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘খেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে যে প্রতিভার বিকাশ হচ্ছে তা লেখাপড়ার পাশাপাশি ধরে রাখতে হবে।’

মাদক ও জুয়া মুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজের জন্য মাদক ও জুয়া অন্যতম বাধা। তরুণেরা এতে বেশি আসক্ত হয়ে পড়ে। লেখাপড়ার পাশাপাশি তরুণদের খেলাধুলায় মনোযোগী করতে পারলে তারা জুয়া ও মাদকের মতো অপকর্ম থেকে দূরে থাকবে, যা একটি সুন্দর সমাজ গঠনে সহায়ক হবে। তিনি আলোকিত লালমনিরহাট গড়তে সরকারি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

আরও পড়ুন: মৌলভীবাজারে ১৬ বছর বয়সী কিশোরীকে জিম্মি করে ধর্মান্তর ও ধর্ষণের অভিযোগে মানববন্ধন

বিশেষ অতিথি হিসেবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেন, ফুটবলকে দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে। কিশোর বয়সই ফুটবলের জন্য উপযুক্ত সময়। যদি এই বয়সি ফুটবলারদের সঠিকভাবে পরিচালনা করা যায়, তবে দেশের ফুটবলের পাইপলাইন সমৃদ্ধ হবে। প্রতিমন্ত্রী এই ধরনের ফুটবল টুর্নামেন্ট অন্যান্য জেলায় আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মো: রাশেদুল হক প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো: আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক, অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফাইনালে বসুন্ধরা ক্রীড়া চক্র ১-০ গোলে নবাবের হাট আদর্শ ক্লাবকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

আরও পড়ুন: ১১ জেলায় ৮৭৯ জন গ্রেপ্তার, ৩০৩ কিশোর অভিভাবকের জিম্মায় মুক্ত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্পের ৫০ বছর: স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামীণ উন্নয়নের উদাহরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ পি.এম


উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্পের ৫০ বছর: স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামীণ উন্নয়নের উদাহরণ

হারুন আল নাসিফ

ঢাকা, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে জনসম্পৃক্ততার এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত উলশী-যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে আগামীকাল ১ নভেম্বর। ১৯৭৬ সালের এই দিনে যশোরের শার্শা উপজেলায় তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান খনন কাজের উদ্বোধন করেন। স্বেচ্ছাশ্রমে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচি পরবর্তী সময়ে ‘উলশী মডেল’ হিসেবে পরিচিতি পায়।

এ উদ্যোগটি পাঁচ দশক আগে খাদ্য ঘাটতি, কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা ও সেচ সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছিল। খাল খননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ও সেচব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো ছিল এর প্রধান উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণকে উন্নয়নকাজে সরাসরি সম্পৃক্ত করে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যও ছিল।

স্বাধীনতার পর দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জন ছিল অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এ প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচিতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচব্যবস্থার সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হয়। দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি ছিল এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের অন্যতম উদ্যোগ। উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্প ছিল স্বেচ্ছাশ্রমভিত্তিক এ কর্মসূচির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।

উলশী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত বেতনা নদীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি খননে স্থানীয় কৃষক, শ্রমজীবী মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। হাজারো মানুষ বিনা পারিশ্রমিকে কোদাল ও ঝুড়ি নিয়ে খননকাজে যোগ দেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, কাজের সময় স্বেচ্ছাশ্রমে অংশগ্রহণকারীদের দুপুরে রুটি ও গুড় দেওয়া হতো।

প্রায় ছয় মাসে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণে খননকাজ সম্পন্ন হয়। এর ফলে উত্তর শার্শার পাঁচটি বড় বিলের পানি নিষ্কাশনের পথ তৈরি হয় এবং প্রায় ২২ হাজার একর জমিতে চাষাবাদের সুযোগ সৃষ্টি হয়। খালের দুই পাশে সেচের জন্য প্রায় ২০টি পাম্প স্থাপন করা হয়। এর মাধ্যমে এলাকায় ইরি-বোরো ধানের চাষ সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়ে।

স্বেচ্ছাশ্রমে গড়ে ওঠা ‘উলশী মডেল’

খাল খননের ওই কর্মসূচির বিশেষত্ব ছিল উন্নয়নকাজে সাধারণ মানুষের সরাসরি অংশগ্রহণ। কোনো ঠিকাদারি শ্রমিক নির্ভর প্রকল্পের পরিবর্তে স্থানীয় জনগণের স্বেচ্ছাশ্রমে কাজটি বাস্তবায়িত হয়। এর মধ্য দিয়ে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে জনগণকে সম্পৃক্ত করার একটি দৃষ্টান্ত তৈরি হয়, যা পরবর্তী সময়ে ‘উলশী মডেল’ নামে পরিচিতি পায়।

উলশী গ্রামের শতবর্ষী বাসিন্দা আবদুল বারিক মন্ডল ওই দিনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, জিয়াউর রহমান হেলিকপ্টারে করে গ্রামে এসেছিলেন। তিনি নিজেই কোদাল হাতে মাটি কাটেন এবং মাটি ভর্তি ঝুড়ি বহনেও অংশ নেন।

বারিক মন্ডলের স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, খননকাজের সময় জিয়াউর রহমান তাঁর ভাই করিম বকস মণ্ডলের মাথায় মাটি ভর্তি ঝুড়ি তুলে দিয়েছিলেন। এ সময় করিমের মাথায় থাকা স্থানীয়ভাবে ‘টোকা’ বা ‘মাথাল’ নামে পরিচিত বাঁশ ও তালপাতার তৈরি ঐতিহ্যবাহী টুপিটিও তিনি নিজের মাথায় পরেন। ঘটনাটি স্থানীয় মানুষের কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে।

শার্শা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও প্রবীণ নেতা খায়রুজ্জামান মধু বলেন, ‘উলশীর খাল শুধু একটি খাল নয়, এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন দর্শনের বাস্তব প্রতিফলন। এই খাল খনন হয়েছিল দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, কৃষিকে টিকিয়ে রাখার জন্য।’

খাল খননের সময় জিয়াউর রহমান স্থানীয় একটি ভবনে রাত যাপন করেন। পরে ভবনটি কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সেখানে কৃষকদের নিয়ে বৈঠক ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হতো। বীজ সংরক্ষণের ব্যবস্থাও ছিল। ফলে খাল খননের পাশাপাশি কৃষি সম্প্রসারণ ও কৃষকদের সংগঠিত করার কাজেও স্থানটি ভূমিকা রাখে।

উলশী প্রকল্পের পর দেশজুড়ে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি সম্প্রসারিত হয়। কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে ১৯৩টি খাল খনন ও পুনঃখনন করা হয়, যার মোট দৈর্ঘ্য ছিল ৬৭৫ দশমিক ১৮ মাইল। এ পরিসংখ্যান দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির বিস্তারের একটি চিত্র তুলে ধরে।

দীর্ঘ অবহেলার পর পুনঃখননের উদ্যোগ

সময়ের সঙ্গে নিয়মিত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে খালটিতে পলি জমে পানি প্রবাহ ব্যাহত হয়। একপর্যায়ে খালটি প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়ে। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট দেখা দিতে থাকে। খালের পাড়ের স্মৃতিচিহ্ন ও ঐতিহাসিক ভবনটির অবস্থাও নাজুক হয়ে যায়। এ অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে খালটি পুনরুদ্ধার ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানান, ঐতিহাসিক খালটির পুনঃখননের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। চার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের জন্য এক কোটি ৩৭ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের একটি প্রস্তাবও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

যশোর-৩ (যশোর সদর) আসনের সংসদ সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, উলশী খাল পুনঃখনন এবং যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আধুনিকায়ন ছিল জনগণের কাছে দেওয়া নির্বাচনী অঙ্গীকার। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে যশোরের উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

পাঁচ দশক পর নতুন অধ্যায়

উলশী-যদুনাথপুর প্রকল্পের ৫০ বছর পূর্তির প্রাক্কালে গত ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালটির পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। তিনি কোদাল হাতে প্রথম মাটি কেটে এ কাজের সূচনা করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা ঐতিহ্যবাহী টোকা মাথায় ও হাতে কোদাল নিয়ে খালের দুই পাড়ে সমবেত হন। উদ্বোধন উপলক্ষে দেশ ও জনগণের সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাতও অনুষ্ঠিত হয়।

পাঁচ দশক আগে জিয়াউর রহমানের উদ্বোধন করা খালটির পাশে পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধনী স্মারক স্থাপন করা হয়েছে। উদ্বোধন উপলক্ষে স্থানীয় মানুষের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পুনঃখনন সম্পন্ন হলে খালটির পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে, কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং মৎস্যসম্পদের উৎপাদন ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে খালটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও স্বেচ্ছাশ্রমভিত্তিক উন্নয়ন উদ্যোগের স্মৃতি সংরক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে।

উলশী-যদুনাথপুরে পাঁচ দশক আগে যে উদ্যোগের মধ্য দিয়ে উন্নয়নকাজে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের একটি দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছিল, তার ৫০ বছর পূর্তিতে পুনঃখনন কর্মসূচি সেই ঐতিহাসিক প্রকল্পকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক হাজারের বেশি হামলায় ৪২৭ হুতি যোদ্ধা নিষ্ক্রিয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ পি.এম


এক হাজারের বেশি হামলায় ৪২৭ হুতি যোদ্ধা নিষ্ক্রিয়

ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের বিরুদ্ধে ১,১১৯টি হামলা পরিচালিত হয়েছে। এই অভিযানের ফলে ৪২৭ জন হুতি ‘যোদ্ধা’ নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে এবং ১৪২টি সামরিক যান ও অন্যান্য সরঞ্জাম ধ্বংস বা অকার্যকর করার দাবি করেছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার।

শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের অংশ হিসেবে এসব হামলা পরিচালিত হয়েছে। হামলার সময় যুদ্ধবিমান, ড্রোন, ফিল্ড আর্টিলারি ও রকেট লঞ্চার ব্যবহার করা হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, হুতিদের নেতা, সামরিক চলাচল, রসদবহর, বিভিন্ন অবস্থান, হামলার স্থান এবং সরবরাহপথ লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে।

স্থল অভিযানের পাশাপাশি এসব হামলায় হুতিদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং আল-জাওফ প্রদেশের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অবস্থান দখলে সরকারি বাহিনীকে সহায়তা করেছে বলে জানা গেছে। অন্যান্য রণাঙ্গনেও লড়াই ও সামরিক চাপ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৈজ প্রদেশে সরকারি বাহিনী এবং তাদের মিত্র পপুলার রেজিস্ট্যান্স যোদ্ধাদের সঙ্গে হুতিদের সংঘর্ষ চলছে। বিমান হামলা ও গোলন্দাজ বাহিনীর সহায়তায় হুতিদের চলাচল ও রসদবহর লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হচ্ছে।

বেসামরিক মানুষ ও অবকাঠামোর সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সতর্কতা বজায় রেখে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের সেনাবাহিনী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সে শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোর বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চবিদ্যালয় অবরোধের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ পি.এম


ফ্রান্সে শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোর বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চবিদ্যালয় অবরোধের ঘোষণা

ফ্রান্সে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চবিদ্যালয় অবরোধের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থী সংগঠনগুলো। শনিবার দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে নতুন করে এই কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএমটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষার্থী ও উচ্চবিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সংগঠন এবং শ্রমিক সংগঠনগুলোর জোটের আহ্বানে সাড়া দিতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইউনিয়ন এতুদিয়াঁতের মুখপাত্র সাবরিনা খারবাখ।

তিনি বলেন, ‘আমরা বৃহস্পতিবার আবারও অবরোধ করব। এরপর ধর্মঘটে অংশ নেওয়া শ্রমিকদের ডাকা ৫ নভেম্বরের বিক্ষোভে যোগ দেব।’

খারবাখ আরও জানান, নিজেদের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরার জন্য এবার তারা আরো বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করছেন।

ফ্রান্সের জাতীয় শিক্ষার্থী ইউনিয়ন (ইউনেফ)-এর মহাসচিব মানোঁ মোরে জানান, তরুণদের দাবির বিষয়ে সরকার এখনও কোনো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ বা জবাব দেয়নি।

শনিবারের কর্মসূচিটি গত তিন সপ্তাহের মধ্যে দেশজুড়ে তৃতীয় দফার সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এদিন ফ্রান্সজুড়ে প্রায় ৩৫০টি স্থানে কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকার বিক্ষোভকে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছে। বিশেষ করে প্যারিসের রিং রোড অবরোধ এবং সরকারি ভবনে হামলার আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। এই পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৭০ হাজার পুলিশ ও জেন্ডারমেরি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ।

এদিকে, প্যারিসে বিক্ষোভের নির্ধারিত পথ নিয়ে প্রশাসনিক আদালতের দেওয়া আগের রায় বাতিল করেছে কাউন্সিল অব স্টেট। ফলে বাগনোলে থেকে শারঁতঁ পর্যন্ত নির্ধারিত পথে বিক্ষোভ মিছিল করার অনুমতি বহাল রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু ও প্রসূতি সেবা বিভাগের চিকিৎসা সেবার ভূয়সী প্রশংসা করলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ পি.এম


শিশু ও প্রসূতি সেবা বিভাগের চিকিৎসা সেবার ভূয়সী প্রশংসা করলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

পার্বতীপুরের ঐতিহ্যবাহী বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান ল্যাম্ব হাসপাতাল আজ তাদের ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেছে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে। এ উপলক্ষে আজ ৩১ অক্টোবর শনিবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল ১০ টায় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে হাসপাতালের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব-(১৯৭৬-২০২৬) শুরু হয়। এরপর থিমসং ল্যাম্ব সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- ল্যাম্ব হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ডেভিড চন্দ্রণ। এ সময় হাসপাতালের বিগত ৫০ বছরের নানা অর্জনের সংক্ষিপ্ত সার তুলে ধরেন অনুষ্ঠানের উপস্থাপিকা- স্টেসি সাহা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন তার বক্তব্যে ল্যাম্ব হাসপাতালের শিশু ও প্রসূতি সেবা বিভাগের- বিশেষ করে প্রসূতি মায়েদের ফিস্টুলা চিকিৎসা সেবার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, চিকিৎসা সেবা ও ফিস্টুলা নিরাময় কর্মসূচি কেবল ল্যাম্ব হাসপাতালে সীমাবদ্ধ নয় বরং সারা দেশে সম্প্রসারণ ও জোরদার করার লক্ষ্যে সেবা প্রদানকারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য সমাজকল্যাণ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সহযোগিতা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠান শেষে তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন সেবা কর্মসূচির ১৮ টি ষ্টল পরিদর্শন করেন।

ল্যাম্ব হাসপাতালের বোর্ড চেয়ারম্যান ডাঃ ক্রিস্টিন লুইস প্রেঙ্গারের সভাপতিত্বে আয়োজিত সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয় এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জাতীয় সংসদের দিনাজপুর-৫(পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের মহা-পরিচালক ডাঃ প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য বিভাগের রংপুর বিভাগীয় পরিচালক বিকাশ কুমার দাস, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর কবির, ও জেলা পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত আমান আজিজ এবং পার্বতীপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আমিনুল ইসলাম শাহ প্রমুখ।

সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে হাসপাতালের প্রাক্তন পরিচালক, ডাক্তার কর্মকর্তা, বিভিন্ন দাতা দেশ থেকে আগত প্রতিনিধিবৃন্দসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%