প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিরল এক রোগে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর দিল্লির এক হাসপাতালে মারা যান আফগানিস্তান ক্রিকেটের অন্যতম পথিকৃৎ এবং সাবেক পেস বোলার শাপুর জাদরান। আফগান দলের এই তারকা পেসার একদিন পরেই ৩৯ বছরে পর্দাপন করার কথা ছিল। মৃত্যুর পর শাপুরের দেহ উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় কাবুলে।
প্রাক্তন সতীর্থের শেষ বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবিরা। কাঁধে করে তারা শাপুরের কফিনও বইলেন। শাপুর প্রাণঘাতী ‘হেমোফ্যাগোসাইটিক লিম্ফোহিস্টিওসাইটোসিস’ (এইচএলএইচ) রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তাকে দিল্লিতে নিয়ে আসা হয় এবং সেখানে হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু এত চেষ্টা সত্ত্বেও চিকিৎসা চলাকালে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে এক হামলার হাত থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। অজ্ঞাত আততায়ী তাকে উদ্দেশ করে গুলি চালিয়েছিল। কিন্তু অসুস্থতার বিরুদ্ধে যুদ্ধে তিনি হেরে যান।
বুধবার জাদরানের দেহ কাবুলে পৌঁছালে বিমানবন্দরের পক্ষ থেকে কফিন কাঁধে তুলে নেন রশিদ ও নবিরা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন আফগান ক্রিকেট সংস্থার সদস্য এবং জাদরানের পরিবার। বিমানবন্দর থেকে তার দেহ নিয়ে যাওয়া হয় ইদগাহ মসজিদে। সেখানে অন্তত ১ হাজার মানুষ শেষ বিদায়ে অংশ নেন। মসজিদ থেকে কাঁধে করে কফিন নিয়ে সমাধিস্থল পর্যন্ত যান আফগানিস্তানের প্রথম সারির ক্রিকেটার এবং জাদরানের পরিবারের সদস্যরা। মারানজান হিলে দাফন করা হয় আফগান ক্রিকেটের অন্যতম স্থপতিকে। চোখের পানিতে চিরবিদায় জানান রশিদ ও নবিরা।
২০০৯ সালে আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের জন্য অভিষেক হয় শাপুর জাদরানের। রিফিউজি হয়ে দীর্ঘদিন পাকিস্তানে কাটিয়েছেন তিনি। এই সময় মোহাম্মদ নবি এবং দৌলত জাদরানদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলা শুরু করেন। ২০০৯ সালে যখন আফগানিস্তান প্রথম ওয়ানডে খেলে, সেই দলে তিনি ছিলেন। আফগানিস্তানের হয়ে ৪৪টি ওয়ানডেতে ৪৩টি উইকেট এবং ৩৬টি টি-টোয়েন্টিতে ৩৭টি উইকেট পেয়েছিলেন। মাত্র ৩৮ বছর বয়সেই থেমে গেল তার জীবন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন