প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার জয়ের প্রতি তার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি গত সোমবার দাবি করেছেন যে ব্রাজিলের নির্বাচন ছিল কারচুপিযুক্ত এবং অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত। রবিবারের নির্বাচনে পরাজয়ের পর, ট্রাম্পের ডানপন্থী সহযোগী ফ্লাভিও বলসোনারো ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে তা বাতিলের দাবি তুলেছেন।
ট্রাম্প ব্রাজিলের নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আমার কাছে এটি অত্যন্ত ভয়াবহ মনে হয়েছে।’ তিনি আরো যোগ করেন, ‘আমি কোনো পক্ষ নিইনি। তবে সত্যি বলতে, এটি আরেকটি কারচুপির নির্বাচন বলে মনে হয়েছে। বিশ্বের দরবারে এটি একটি অত্যন্ত খারাপ দৃষ্টান্ত।’
বলসোনারো পরিবারের একজন ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে, ট্রাম্প স্পষ্টতই ফ্লাভিও-র বিজয় প্রত্যাশা করেছিলেন। ফ্লাভিও ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার মাধ্যমে লাতিন আমেরিকার রক্ষণশীল নেতাদের একটি নতুন ধারা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ট্রাম্প বলেন, ‘নির্বাচন হতে হবে প্রশ্নাতীত, কিন্তু এটি আমার কাছে খুব খারাপ লেগেছে। আমি কাউকেই সমর্থন বা অন্য কিছু করিনি, তবে আমি নির্বাচনটি লক্ষ্য করেছি এবং এটিকে অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্ত ও ভয়াবহ মনে হয়েছে।’
ব্রাজিলের ফলাফলের বিপরীতে তিনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন কি না জানতে চাইলে, ট্রাম্প এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের জন্য নির্বাচনে লড়ছি না, আমি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য লড়ছি।’ ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ‘আমি শুধু ভেবেছিলাম যে যেভাবে ভোট গণনা করা হয়েছে—সময় বাড়ানোর বিষয়টি—তা দেখতে খুবই খারাপ লেগেছে।’ লুলার অনুরোধে কিছু শহরে পরিবহন সমস্যার কারণে ভোটগ্রহণের সময় দুই ঘণ্টা বাড়ানোর পর বলসোনারো কারচুপির অভিযোগ তোলেন।
বলসোনারো পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা সত্ত্বেও, ট্রাম্প লুলার প্রতি এক অদ্ভুত ভালো লাগা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি লুলাকে পছন্দ করি, তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুব ভালো।’
ট্রাম্প বারবার বড়াই করে বলেছেন যে তার প্রশাসন কিভাবে লাতিন আমেরিকার রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দিচ্ছে— যার অন্যতম উদাহরণ গত জানুয়ারিতে ভেনেজুেলার নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার মার্কিন সামরিক অভিযান। গত সপ্তাহে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘দক্ষিণ আমেরিকায় সব কিছুই বামপন্থার দিকে ঝুঁকে ছিল; এখন সব ডানপন্থায় চলে এসেছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন