প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বড় ভাই নিজের কঠোর পরিশ্রমের উপার্জনের অর্থ দিয়ে ছোট ভাইকে পড়ালেখা করিয়ে স্বাবলম্বী করে তুলেছিলেন। তিন ভাইয়ের উপার্জিত অর্থের ভিত্তিতে চার ভাইয়ের নামে জমি কেনা হয়েছিল। তবে বর্তমানে জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাজারে।
অভিযোগ রয়েছে, ছোট ভাই মহিউদ্দিন নিজের অংশের জমির পাশাপাশি অন্য দুই ভাইয়ের জমিও দখল করে রেখেছেন। এমনকি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দোকান থেকে উচ্ছেদ করে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
ভুক্তভোগী আ. খালেক জানান, মহিউদ্দিন তার ভাই। তিনি নিজের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে মহিউদ্দিনকে পড়ালেখা করিয়েছেন। পরে তিন ভাইয়ের উপার্জিত টাকার মাধ্যমে চার ভাইয়ের নামে চেয়ারম্যান বাজারে জমি কেনা হয়। বর্তমানে ওই জমিতে বাজারের ভিটা ও দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। অন্য দুই ভাই তাদের অংশ বুঝে নিয়ে ভোগদখল করলেও, মহিউদ্দিন নিজের অংশের পাশাপাশি অন্যদের জমিও দখল করে রেখেছেন বলে অভিযোগ করেছেন খালেক।
খালেক আরও জানান, ৫ আগস্টের পর মহিউদ্দিন ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তার ভোগদখলীয় জমি দখল করে নেন। এ ঘটনায় পরিবারটি জমি ও দোকানের দখল ফিরে পেতে স্থানীয় এমপির কাছে সাহায্য চেয়েছে।
খালেকের ছেলে হারুন বলেন, "আমার বাবা নিজের উপার্জিত টাকা দিয়ে তার ভাই মহিউদ্দিনকে পড়ালেখা করিয়েছেন। অথচ আজ সেই ভাই-ই বাবার জমি দখল করে রেখেছেন।" তিনি আরও জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হলেও মহিউদ্দিন তা মানছেন না। ৫ আগস্টের পর তাদের দোকান থেকে উচ্ছেদ করে জোরপূর্বক দখল নেওয়া হয়েছে। তারা এসব কর্মকাণ্ড থেকে মুক্তি চান এবং জমি ও দোকানের দখল ফিরে পেতে চান।
মহিউদ্দিন এ বিষয়ে বলেন, "এই জমি আমি দীর্ঘদিন ভোগ দখলে ছিলাম। আমার ভাইয়ের জমি আমি দখলে রাখিনি।"
শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহমেদ জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশংকা থাকলে তারা বিষয়টি দেখবেন। এছাড়া, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন