প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী ভোতে কোশি নদীতে ভোরের আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। নিখোঁজের তালিকায় এখনো রয়েছেন ১০৫ জন ভারতীয়সহ অন্তত ২৯১ জন বিদেশি ও ৯৩ জন নেপালি নাগরিক।
বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরের দিকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরাঞ্চলীয় রসুয়া জেলায় এই বিপর্যয়ের সূচনা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নেপাল পর্যটন বোর্ড জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় ভ্রমণরত পর্যটক ও স্থানীয় অধিবাসীদের উদ্ধারে জোর অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।
সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, নিখোঁজ হওয়া ২৯১ জন বিদেশি নাগরিকে মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয় ও ৩৭ জন প্রবাসী ভারতীয় (এনআরআই) রয়েছেন। এ ছাড়া তালিকায় ১৭ জন মালয়েশিয়ান, ১২ জন ব্রিটিশ, ৪ জন দক্ষিণ আফ্রিকান, ৩ জন আমেরিকান, ১ জন অস্ট্রেলিয়ান এবং ১ জন ডাচ নাগরিক রয়েছেন। বাকি ১১১ জন অন্যান্য দেশের নাগরিক হলেও তাদের পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে।
নেপালের সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ওই এলাকায় ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূকম্পনের কারণে ওপরের হিমবাহ ধসে পড়েই নদীটিতে এমন ধ্বংসাত্মক পাহাড়ি ঢল ও প্লাবনের সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রাথমিক তথ্যে উঠে এসেছে।
নেপালি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ঢলের প্রভাবে চীন সংলগ্ন এলাকাতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় উভয় দেশ একযোগে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করছে। রসুয়ায় নেপালের ২৬ জন পুলিশ, ৯ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৪৪ জন সেনা সদস্য এবং কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তা নিখোঁজ রয়েছেন।
আকস্মিক এই ঢলে রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার সার্বিক অবকাঠামো লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। ধসে পড়েছে বহু সেতু, সড়ক ও বিদ্যুৎকেন্দ্র। ভেঙে পড়েছে টেলিযোগাযোগব্যবস্থাও। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিকদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন