প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বব্যাংক সতর্ক করেছে যে, ২০৫১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি প্রবীণ অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে, যেখানে প্রবীণ মানুষের সংখ্যা তরুণদের তুলনায় বেশি থাকবে।
এই তথ্যটি মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার জনসংখ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে উঠে আসে।
সেমিনারে বক্তারা যুবসমাজের সঠিক ব্যবহার, মানসম্মত শিক্ষা এবং প্রবীণদের সুরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন, যা জনসংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগাতে সহায়ক হবে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য উল্লেখ করে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, ভবিষ্যতে প্রবীণপ্রধান সমাজের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে কেয়ার ইকোনমি এবং প্রযুক্তিভিত্তিক গিগ ইকোনমির কর্মীদের সামাজিক ও আইনি সুরক্ষার আওতায় আনা খুবই জরুরি।
অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, সরকার শিশু, প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের সেবায় দক্ষ জনবল তৈরিতে কেয়ার ইকোনমির প্রসার ঘটাচ্ছে।
তিনি সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান এবং কেয়ার ইকোনমি প্রসারে বিশেষ প্রশিক্ষণ চালুর কথাও উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি ২০৫০ সালের কথা মাথায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি শিক্ষাব্যবস্থা সর্বজনীন ও বিশ্ববাজারের উপযোগী করার পাশাপাশি শিশু সুরক্ষা এবং চাইল্ড কেয়ার ব্যবস্থার গুরুত্ব দেন।
অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জনসংখ্যাগত সুবিধার দুই দশক সময় পার হওয়ার আগেই কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্রবীণদের টেকসই সুরক্ষা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন