প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারা জারি করা জরুরি অবস্থা এবং গভর্নরের শাসনকে চ্যালেঞ্জ করে পেশোয়ার হাইকোর্টে পিটিশনের প্রাথমিক শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মামলার প্রথম শুনানি আগামী ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর চেয়ারম্যান গোহর আলী খান এই আইনি লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
গত ১১ অক্টোবর খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারি করে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, সন্ত্রাস দমনের ক্ষেত্রে প্রাদেশিক সরকারের ইচ্ছাকৃত ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তার কারণে এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
এর প্রতিবাদে, ১৪ অক্টোবর পিটিআইয়ের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করা হয়। আবেদনে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে তা বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। একইসাথে, প্রদেশে সেনা মোতায়েন এবং জরুরি অবস্থা জারির পর গৃহীত অন্যান্য আদেশগুলোর বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।
মামলার অন্যতম প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে—প্রদেশটির গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্ডির প্রশাসনিক কাজে সহায়তার জন্য গঠিত ১১ সদস্যের খাইবার পাখতুনখোয়া উপদেষ্টা পরিষদের গঠন প্রক্রিয়া বাতিল করার আবেদন। এছাড়া, জরুরি অবস্থা জারির পেছনে কী ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার সমস্ত দালিলিক প্রমাণ আদালতের সামনে উপস্থাপনের জন্যও আবেদন জানানো হয়েছে।
পিটিআইয়ের আইনজীবীরা যুক্তি দিয়েছেন যে, সংবিধানের ২৩২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদের ক্ষমতা প্রাদেশিক পরিষদের কাছে হস্তান্তরের আগে যে বাধ্যতামূলক পূর্ব রেজুলেশন প্রয়োজন ছিল, তা মানা হয়নি। তাদের মতে, এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা, গণতন্ত্র এবং প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের নীতির পরিপন্থী। তাছাড়া, আদেশে যুদ্ধ বা বাহ্যিক আগ্রাসনের মতো কোনো গুরুতর জরুরি অবস্থার কথা উল্লেখ নেই এবং অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের যে কথা বলা হয়েছে, তার পেছনেও কোনো বস্তুনিষ্ঠ ভিত্তি ছিল না।
একই দিনে (২০ অক্টোবর) ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের নেতা মহসিন দাওয়ার এবং বুশরা গোহারের করা একটি যৌথ রিট পিটিশনেরও শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। তারা ১১ অক্টোবরের প্রেসিডেন্সিয়াল আদেশটিকে বেআইনি ঘোষণা করার এবং আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত এর কার্যকারিতা স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছেন। সোর্স: ইউএ নিউজ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন