প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাদারীপুরের কালকিনিতে একটি ধারের টাকার মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাম জড়িয়ে হয়রানি করার অভিযোগ তুলেছেন মো: বাবুল বয়াতি নামের এক ব্যক্তি। একই সাথে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালকিনি থানার এসআই হানিফ সরকারের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।
আজ এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন কালকিনি উপজেলার বাঁশগাড়ি করিমগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা মো: বাবুল বয়াতি।
লিখিত বক্তব্যে বাবুল বয়াতি জানান, গত ০৩/০৩/২০২৬ ইং তারিখে মো: আলাউদ্দিন বেপারী পিতা: মৃত আবুল কাশেম বেপারী বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাবুল বয়াতির বাবা মো: ছরোয়ার বয়াতির বিরুদ্ধে ৫ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ধার নেওয়ার অভিযোগ আনা হয় এবং বাবুল বয়াতিকে ২ নম্বর আসামি করা হয়।
বাবুল বয়াতি দাবি করেন, এই টাকা লেনদেনের সাথে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল না। এমনকি বাদী আলাউদ্দিন বেপারী নিজেই স্বীকার করেছেন যে, বাবুলের বাবাকে খুঁজে না পাওয়ায় কৌশলে বাবুল বয়াতির নাম মামলায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার ভিডিও রেকর্ড তার কাছে সংরক্ষিত আছে। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হানিফ সরকারকে সেই ভিডিও দেখানো হয়েছিল বলেও তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, মামলার তদন্ত চলাকালীন এসআই হানিফ সরকার বাবুল বয়াতিকে তার দোকানে কথা না বলে, বারবার একান্তে বা পার্সোনালি দেখা করার জন্য চাপ দেন। তদন্ত কর্মকর্তার কথামতো একান্তে দেখা না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি পাঁচজন সাক্ষীর ভুয়া জবানবন্দি লিখে আদালতে মিথ্যা তদন্ত রিপোর্ট পাঠিয়েছেন।
বাবুল বয়াতি বলেন, তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখিত পাঁচজন সাক্ষীর মধ্যে দুইজন সাক্ষী মো: কামাল বেপারী ও আব্দুর রহিম সরদার আমার কাছে সরাসরি স্বীকার করেছেন যে, তারা আদালতে আমার বিরুদ্ধে কোনো সাক্ষ্য দেননি। তারা জানেন যে আমি এই লেনদেনের সাথে জড়িত নই। সাক্ষীদের এই স্বীকারোক্তির অডিও রেকর্ডও আমার কাছে আছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে এই মিথ্যা মামলা ও পক্ষপাতিত্ব তদন্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। একই সাথে মামলাটি পুনরায় সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে তাকে এই মিথ্যা অপবাদ থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান ভুক্তভোগী বাবুল বয়াতি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন