বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৬ পি.এম
সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইদলিব প্রদেশে একটি অস্থায়ী অস্ত্র ও যুদ্ধের অবশিষ্ট বিস্ফোরক সংরক্ষণাগারে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।
বুধবার, ইদলিব প্রদেশের সারমাদা শহরের কাছে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, সারমাদার নিকটবর্তী উত্তর ইদলিবের গ্রামীণ এলাকার বুর্জ আল-নুমরা গ্রামে অস্ত্র এবং যুদ্ধের অবশিষ্ট গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক সামগ্রী সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত একটি অস্থায়ী গুদামে বিস্ফোরণ ঘটে।
বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার ও জরুরি সেবাদল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।
এর আগে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানায়, বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকারী ও জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।
তবে অস্ত্রগুদামটিতে বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানা যায়নি। কর্তৃপক্ষ ঘটনাটির কারণ অনুসন্ধান করছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সিরিয়ায় দীর্ঘদিনের যুদ্ধের ফলে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে বিপুল পরিমাণ অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ, অস্ত্র ও যুদ্ধের অবশিষ্ট বিস্ফোরক ছড়িয়ে রয়েছে। এসব বিস্ফোরক প্রায়ই বেসামরিক মানুষের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে।
সর্বশেষ এই বিস্ফোরণের ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন রাঙ্গাবালী উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে টিউবওয়েল স্থাপনের পর স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন যে, মাটির নিচ থেকে গ্যাস বের হচ্ছে। তারা জানিয়েছেন, টিউবওয়েলের পাশে পানির নিচ থেকে বুদবুদ শব্দের সঙ্গে গ্যাসে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। এই ঘটনার ফলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
চরমোন্তাজ ইউনিয়নের নয়ারচর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. কামাল হোসেনের বাড়িতে টিউবওয়েল স্থাপন করার পর এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে টিউবওয়েলটি দেখতে স্থানীয় লোকজন সেখানে ভিড় করেন।
টিউবওয়েলের মালিক কামাল হোসেন জানিয়েছেন, প্রায় ২৭ দিন আগে তার বাড়িতে টিউবওয়েলটি স্থাপন করা হয়। এরপর থেকেই টিউবওয়েলের আশপাশে পানির নিচ থেকে শব্দ এবং বুদবুদ উঠতে শুরু করে। কৌতূহল সৃষ্টি হলে স্থানীয়রা সেখানে আগুন ধরিয়ে দেন, এবং তখন আগুন জ্বলতে দেখা যায়।
তিনি আরও বলেন, পরে একটি ছোট পাইপ ব্যবহার করে আগুন ধরিয়ে একইভাবে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কামাল হোসেনের দাবি, ওই গ্যাস ব্যবহার করে রান্নাবান্না করা সম্ভব হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা মন্তব্য করেছেন, দেশে যখন গ্যাসের সংকট বিরাজমান, তখন রাঙ্গাবালীর প্রত্যন্ত এলাকায় মাটির নিচ থেকে গ্যাস বের হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। তবে বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা ছাড়া টিউবওয়েল থেকে বের হওয়া গ্যাসের প্রকৃতি বা উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। তারা দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। সেখানে সত্যিই ভূগর্ভস্থ গ্যাস রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা প্রয়োজন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কামাল হোসেনের একটি আবেদনও জেলায় পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কমানো এবং আয় বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে গত ছয় মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় ২২৫ কোটি টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
আজ জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য লুৎফুর রহমান (কক্সবাজার-৩)-এর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, 'গত ছয় মাসে বাংলাদেশ রেলওয়ে গত বছরের তুলনায় ২২৫ কোটি টাকা বেশি আয় করেছে। ফলে লোকসানও ২২৫ কোটি টাকা কমেছে।'
তিনি বলেন, চলতি বছরে বাংলাদেশ রেলওয়ের লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রেলওয়ের আর্থিক বোঝা কমাতে সরকার কাজ করছে।
মন্ত্রী বলেন, রেলওয়ের অনেক রেললাইন ১৯৩০, ১৯৪০ ও ১৯৭০-এর দশকে স্থাপিত হয়েছে।
তিনি বলেন, পুরোনো মিটারগেজ রেললাইনগুলোর কারণে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়েছে। বিশেষ করে কিছু রেলওয়ে সরঞ্জামের যন্ত্রাংশ এখন সহজে পাওয়া যায় না। আমরা এই ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছি।
লাভজনক কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ রুটে ট্রেন চলাচলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তবে, বর্তমানে ইঞ্জিন ও কোচের সংকটের কারণে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বলেন, 'কক্সবাজার-ঢাকা রেলসেবার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু ইঞ্জিন ও কোচের সংকটের কারণে বর্তমানে মাত্র দুই জোড়া ট্রেন চলাচল করছে।'
মন্ত্রী জানান, ইঞ্জিন ও কোচ সংগ্রহের জন্য সরকার ইতোমধ্যে দু’টি প্রকল্প গ্রহণ করেছে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই এগুলো পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কক্সবাজার রুটে বেসরকারি খাতে ট্রেন পরিচালনার জন্য সরকার বেশ কয়েকটি প্রস্তাব পেয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, 'আমরা এসব প্রস্তাব পর্যালোচনা ও বিবেচনা করছি। আশা করি, বেসরকারি খাতের উদ্যোগের মাধ্যমেও অল্প সময়ের মধ্যে এই লাভজনক রুটে ট্রেনসেবা নিশ্চিত করতে পারব।'
অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বিরোধী দলীয় (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মারজিয়া বেগম (সংরক্ষিত নারী আসন-৩৮)-কে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে জাতীয় রেলওয়ে নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা ১৫টি জেলার মধ্যে ১০টি জেলায় রেল যোগাযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
তিনি বলেন, 'বর্তমানে বাংলাদেশের ৪৯টি জেলায় রেল যোগাযোগ রয়েছে। অর্থাৎ ১৫টি জেলায় রেল যোগাযোগ নেই। এই ১৫ জেলার মধ্যে ১০টিতে নতুন রেল সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। লক্ষ্মীপুর ওই ১০ জেলার একটি।'
মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত ১০টি জেলার মধ্যে মানিকগঞ্জসহ পাঁচটি জেলায় সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। লক্ষ্মীপুরের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজও শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, 'আমরা বিশ্বাস করি, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার লক্ষ্যে নির্ধারিত ১০টি জেলার মধ্যে লক্ষ্মীপুর অগ্রাধিকার পাবে।'
মন্ত্রী বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি ও বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন সহজ করতে রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণকে সরকার গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শীতলক্ষ্যার যৌবনে ভাটা: দখল ও দূষণের প্রভাব
শরতের আকাশে সাদা মেঘের ভাসমানতা, হালকা বাতাসের প্রবাহ এবং নদীর বুকে ধীরলয়ে চলতে থাকা ঢেউ—এক সময় শীতলক্ষ্যার এমন দৃশ্য মানুষের মনে এক বিশেষ মুগ্ধতা সৃষ্টি করত। কিন্তু জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাবের কারণে ভূ-প্রকৃতির পরিবর্তনের ফলে সেই দৃশ্য এখন বদলে গেছে।
শরতের শুরুতেই শীতলক্ষ্যার পানিতে দেখা দিয়েছে ভাটা। পানির গভীরতা আগের তুলনায় কমে যাচ্ছে। এর ফলে নদীর চিরচেনা যৌবন হারিয়ে যেতে বসেছে। যৌবনের উন্মাদনায় পানির স্রোত কমে যাওয়ার কারণে কচুরিপানার প্রভাব নদীতে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরের কালীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শীতলক্ষ্যার এই চিত্র দেখা যায়। কিছুদিন আগে নদী ছিল উত্তাল, কিন্তু এখন ধীরগতির স্রোতে কচুরিপানার আধিপত্য।
স্থানীয়দের মতে, একসময় নদী ছিল স্বচ্ছ জল, প্রাণচাঞ্চল্য এবং নৌযানের ব্যস্ততায় মুখরিত।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই পরিচিত রূপ ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। নদীর বুকজুড়ে কচুরিপানার বিস্তার ছাড়াও আবর্জনা জমে রয়েছে। নদীর স্বাভাবিক জলপ্রবাহ ধীরে ধীরে কমছে। এর ফলে নদীর ‘যৌবনকাল’ পার হওয়ার পথে। বছরের পর বছর নদীর প্রতি অবহেলা, দখল এবং দূষণের কারণে শীতলক্ষ্যার স্বাভাবিক পরিবেশ ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে।
নদীর তীরে গড়ে ওঠা বিভিন্ন স্থাপনা ও শিল্পকারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে পানি বাড়লেও নদীর প্রাণ ফিরিয়ে আনতে শুধুমাত্র পানিপ্রবাহ যথেষ্ট নয়—নিয়মিত পরিচর্যা ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন।
পরিবেশবাদীদের মতে, একসময় শীতলক্ষ্যার বুক চিরে পালতোলা নৌকা, যাত্রীবাহী নৌযান এবং পণ্যবাহী বড় নৌকা নিয়মিত চলাচল করত। বর্ষা শেষে শরৎ এলেও নদীতে পর্যাপ্ত পানি থাকত। কিন্তু বর্তমানে নদীর বিভিন্ন অংশে পলি জমে নাব্যতা কমে গেছে। এর ফলে নৌযান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। দখল, দূষণ এবং দীর্ঘদিনের পলি জমার কারণে শীতলক্ষ্যা ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক গতিপথ ও গভীরতা হারাচ্ছে। নদীর পানিতে বিভিন্ন শিল্পকারখানার বর্জ্য মিশে পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলছে।
কালীগঞ্জের জামালপুর ঘাটের জেলে সুশীল চন্দ্র কালের কণ্ঠকে জানান, পানির গভীরতা কমে যাওয়ার ফলে মাছের বিচরণক্ষেত্র ছোট হয়ে আসছে। এর ফলে নদীনির্ভর মানুষের জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. বোরহান উদ্দিন অরণ্য কালের কণ্ঠকে বলেন, শীতলক্ষ্যাকে বাঁচাতে দ্রুত নদীটির নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং দূষণ বন্ধ করা জরুরি। তা না হলে একদিন শরতের শীতলক্ষ্যার বুকে শুধুমাত্র স্মৃতি থাকবে—নদীর সেই যৌবন আর ফিরবে না।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ টি এম কামরুল ইসলাম জানান, ‘শীতলক্ষ্যা দখল ও দূষণ রোধে কাজ চলছে। এই কাজ আরো জোরদার হবে। তিনি বলেন, কচুরিপানার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল শহরের তালিকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম
আলফা-জিও, একটি ভৌগোলিক-স্থানিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) প্রতিষ্ঠান, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশ্বের বড় শহরগুলোর সক্ষমতা নিয়ে একটি মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে। এই মূল্যায়নে দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতার দিক থেকে বাংলাদেশের দুটি শহর সর্বনিম্ন তালিকার প্রথম সারিতে অবস্থান করছে
তালিকার চতুর্থ ও নবম স্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। খবর
বন্যা, উপকূলীয় বন্যা, তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা, দাবানল এবং হারিকেনের মতো জলবায়ুজনিত ঝুঁকির পাশাপাশি, শহরগুলোর অভিযোজন সক্ষমতা, অবকাঠামো, আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, শাসনব্যবস্থা এবং নীতিগত প্রস্তুতি বিবেচনা করে ৭২টি শহরের একটি তালিকা তৈরি করেছে আলফা-জিও।
এই সূচকে, ঢাকা চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে, যা নির্দেশ করে যে জলবায়ু ঝুঁকির মাত্রার তুলনায় দুর্যোগ মোকাবেলা ও অভিযোজন সক্ষমতার দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ বড় শহর হিসেবে বাংলাদেশের রাজধানী চিহ্নিত হয়েছে।
তালিকায় বাংলাদেশের আরেকটি বড় শহর চট্টগ্রামও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
আলফা-জিওর তৈরি করা এই সূচকে দেখা গেছে, সর্বনিম্ন সক্ষমতার তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে ভারতের আহমেদাবাদ। এরপর পাকিস্তানের হায়দ্রাবাদ এবং মুলতান রয়েছে। চতুর্থ স্থানে রয়েছে ঢাকা।
তালিকায় পরবর্তীতে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, ভারতের কলকাতা, পাকিস্তানের ফয়সালাবাদ এবং করাচি, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, এবং তাইওয়ানের তাইপেই।
অন্যদিকে, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় সবচেয়ে সক্ষম শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো। এরপর রয়েছে ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবা, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, স্পেনের বার্সেলোনা, তুরস্কের আঙ্কারা, আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেস, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস, তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুল, কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতা এবং কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি।
আলফা-জিওর সূচকে একটি শহরের সহনশীলতা নির্ধারণের জন্য শুধুমাত্র প্রাকৃতিক বা জলবায়ুজনিত ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনা করা হয়নি। বন্যা, উপকূলীয় বন্যা, তীব্র তাপপ্রবাহ, খরা, দাবানল এবং হারিকেনের মতো ঝুঁকির পাশাপাশি, শহরটির অভিযোজন সক্ষমতাও মূল্যায়ন করা হয়েছে।
এই সক্ষমতা নির্ধারণে আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা, শাসনব্যবস্থা, নীতিগত উদ্যোগ এবং বন্যা প্রতিরোধক বাঁধ ও উন্নত নিষ্কাশন ব্যবস্থার মতো অবকাঠামোকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ