প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের। রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এই আদেশ প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুল হক দিদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিন আসামি পক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান, মিজানুর রহমানসহ অন্যান্যরা তার জামিনের জন্য আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এই আবেদনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে।
জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং এজাহারে বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। কেবল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করার জন্য তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ৭৫ বছর বয়সী এই বয়োজ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জটিল হৃদরোগে ভুগছেন। তার স্থায়ী ঠিকানা রয়েছে এবং জামিন পেলে তিনি আত্মগোপন বা এলাকা ত্যাগ করবেন না। গত ৩০ সেপ্টেম্বর আসামির প্রথম স্ত্রী আপসের শর্তে জামিন পেয়েছেন। ফলে সহ-শর্তে আসামি জামিন পাওয়ার অধিকারী।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এমপি নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকসুদার জামিন আবেদন ঢাকার একটি আদালত মঞ্জুর করে।
গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের উল্টো দিকের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
এর পরের দিন শেরেবাংলানগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিন ও মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ২৩ সেপ্টেম্বর এই মামলায় গ্রেপ্তার ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন