প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নওগাঁর ধামইরহাটের বড়শিবপুর (মাষ্টারপাড়া) এলাকায় জমিজমার বিরোধ এবং করলা খেতে ছাগল প্রবেশের কারণে কৃষক হত্যার মামলায় ৭ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে ধামইরহাট থানা পুলিশ। হত্যার ঘটনার মাত্র ৫ ঘন্টার মধ্যে এই ৭ আসামীকে আটক করা হয়। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত চাকুটিও উদ্ধার করা হয়।
হত্যাকান্ডের পর আসামীরা গাঁ ঢাকা দিলে, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থেকে সিআইডি ডিপার্টমেন্টের দক্ষ অফিসার এবং ধামইরহাট থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ মো. মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে ৫ ঘন্টার সাড়াশি অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে প্রধান আসামীসহ মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। দ্রুত সময়ে আসামীদের গ্রেফতারে ভুক্তভোগীর পরিবার কিছুটা সান্ত্বনা প্রকাশ করেছে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন, একই গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে রাকিবুল ইসলাম রনি, মৃত আ. গফুরের ছেলে আব্দুল হাকিম, কফিল উদ্দিন, ফেরদৌস হোসেনের স্ত্রী আকলিমা বেগম, মৃত ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী হামিদা বেগম, আব্দুল হাকিমের স্ত্রী ফরিদা বেগম এবং রাকিবুল ইসলাম রনির স্ত্রী জিয়াসমিন।
এজাহার থেকে জানা যায়, ২ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫ টায় করলা খেতে ছাগল যাওয়ার কারণে আবুল কাশেম এবং রনিদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আবুল কাশেম পক্ষের ৫ জন গুরুতর আহত হয়ে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে আহত আবুল কাশেম মৃত্যুবরণ করেন। তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। অন্য আহতরা জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনার পর ভিকটিমের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওসি মিন্টু রহমান জানান, আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ধামইরহাটে আমবাগানে হত্যার ঘটনা এবং লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার মতো বিভিন্ন ক্লু লেস মামলার সফল তদন্তের জন্য ওসি মিন্টু রহমানকে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে পুলিশ সুপার নওগাঁ কর্তৃক সংবর্ধিত করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন