প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০১০ সালের পর প্রথম বার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠে প্যারাগুয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। চলতি বছরের ২৯ জুন বাংলাদেশ সময় রাত ২টা ৩০ মিনিটে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে হাজির হচ্ছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। তবে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে নিয়ে তারা ভয় পান না, বরং আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামতে প্রস্তুত লাতিন আমেরিকার দলটি।
প্যারাগুয়ের কোচ গুস্তাভো আলফারোর মতে, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মতো পরাশক্তিকে হারানোর অভিজ্ঞতাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠেছে জার্মানির বিরুদ্ধে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের মুখোমুখি হয়েছি, যারা শক্তির বিচারে জার্মানির সমান, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে হয়তো তাদের থেকে আরও এগিয়ে। তারা সবাই বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার। আমাদের জন্য তাদের বিপক্ষে লড়াই করা ছিল বিশেষ করে কঠিন, কিন্তু আমাদের শক্তি ও দৃঢ়তা দিয়ে আমরা জয় ছিনিয়ে এনেছি।’
বাছাইপর্বের শুরুটা হতাশাজনক হলেও ২০২৪ সালের আগস্টে আলফারো দায়িত্ব নেয়ার পর প্যারাগুয়ের চিত্র বদলে গেছে। তার নেতৃত্বে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করেছে দলটি।
মূল পর্বে যদিও শুরুটা ভালো হয়নি। প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৪-১ গোলে পরাজয়ের পর তুরস্ককে ১-০ গোলে হারিয়ে তারা ঘুরে দাঁড়ায়। ঐ ম্যাচে ১০ জন খেলেও প্যারাগুয়ে প্রতিপক্ষের ৩৩টি গোলচেষ্টা সামলে জয় পায়। পরবর্তীতে শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ায় সাথে গোলশূন্য ড্র করে তারা নকআউট পর্বে পৌঁছাতে সক্ষম হয়।
তবে গুরুত্বপূর্ণ জার্মানির বিপক্ষে ম্যাচে মিডফিল্ডার ডিয়েগো গোমেজ নিষেধাজ্ঞার কারণে খেলতে পারছেন না। এছাড়াও, ডিফেন্ডার ওমর আলদেরেতের চোটের কারণে খেলা এখনও অনিশ্চিত। তবে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা শেষে দলে ফিরছেন তারকা ফরোয়ার্ড মিগুয়েল আলমিরন, যা প্যারাগুয়ের জন্য বড় স্বস্তির খবর।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন