প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক থেকে শুরু করে পৌরসভার অলিগলি-সবত্রে বেড়েছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বেপরোয়া দৌরাত্ম্য। নিয়ম ও শৃঙ্খলার তোয়াক্কা না করে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, হঠাৎ ইউটার্ন, বিপরীতমুখী চলাচল এবং অতিরিক্ত গতির কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এর ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পথচারী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী এবং সাধারণ যাত্রীরা।
কালিয়াকৈর-চন্দ্রা ও কালিয়াকৈর-নবীনগর মহাসড়কের সফিপুর, মৌচাকসহ বিভিন্ন অংশে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান সড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থেকে এবং মাঝসড়কে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে সকাল ৭টা থেকে ১০টা এবং বিকেল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে। কালিয়াকৈর সদর বাজার, চন্দ্রা, পল্লীবিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক বাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অটোরিকশার জন্য দীর্ঘ যানজট প্রতিদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় এক চাকরিজীবী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "অফিসে যাওয়ার সময় প্রতিদিনই যানজটে পড়তে হয়। ৫ মিনিটের রাস্তা অতিক্রম করতে কখনো কখনো ৩০ মিনিট লেগে যায়।" এক অভিভাবক জানান, অলিগলিতে অটোরিকশার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা দেওয়ান জসিম উদ্দিন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "কালিয়াকৈরের রাস্তাঘাট আজ অটোরিকশার দখলে। কোনো নিয়ম-নীতি না থাকায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটছে। জনগণের দোয়ায় পৌরসভার দায়িত্ব পেলে আমার প্রথম কাজই হবে নির্দিষ্ট রুট, স্ট্যান্ড ও চালকদের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করে কালিয়াকৈরের যানজট নিরসন করা।" তিনি অবিলম্বে ট্রাফিক পুলিশ বৃদ্ধি ও কঠোর আইনি ব্যবস্থার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
এ অবস্থায় কালিয়াকৈরের শিল্পাঞ্চলের বিপুল জনসংখ্যার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ট্রাফিক অভিযান, নির্দিষ্ট রুট ও স্ট্যান্ড নির্ধারণ এবং চালকদের প্রশিক্ষণের আওতায় এনে একটি স্থায়ী নীতিমালার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন