০৩:৫৮ পি.এম
রায় প্রস্তুত না থাকার কারণে পিছিয়ে গেল সোহেল রানাসহ ৮ আসামির রায়ের তারিখ। আগামী ১ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীরের আদালতে রবিবার (১৬ আগস্ট) মামলাটি রায়ের জন্য নির্ধারিত ছিল। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম।
মামলার অন্য অভিযুক্তরা হলেন— সাভার পৌরসভার সাবেক মেয়র রেফাত উল্লাহ, সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়, নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান রাসেল, সাবেক টাউন প্ল্যানার ফারজানা ইসলাম ও লাইসেন্স পরিদর্শক মো. আব্দুল মোত্তালিব।
আরও পড়ুন: রিজভী: গ্যারান্টি ক্লজের অভাবে তিস্তার পানি পায়নি বাংলাদেশ
আসামিদের মধ্যে সোহেল রানা দুর্নীতি মামলায় জামিনে থাকলেও রানা প্লাজা ধসে হত্যা মামলায় তিনি কারাগারে রয়েছেন।
রবিবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামি মাহবুবুর রহমান ও ফারজানা ইসলাম শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দেন। বিচার চলাকালে রানার বাবা আবদুল খালেক ও মা মর্জিনা বেগম মারা যাওয়ায় তাদের দায় হতে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজা ধসে ১ হাজার ১৩৬ জন নিহত ও দেড় হাজারের বেশি মানুষ আহত হন। ভয়াবহ এ ঘটনার পর ভবন নির্মাণে দুর্নীতির অনুসন্ধানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণের অভিযোগে ২০১৪ সালের ১৫ জুন সাভার থানায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক এস এম মফিদুল ইসলাম। শুরুতে তদন্তে সোহেল রানাকে বাদ দেওয়া হলেও পরে অধিকতর তদন্তে তিনি ভবনের মূল দেখভালকারী প্রমাণিত হন এবং অভিযোগপত্রে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে মা ইলিশ সংরক্ষণে ৭৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ
তৃতীয় দফায় ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সোহেল রানাসহ ১৮ জনকে আসামি করে আদালতে অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। একই বছরের ২১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার چلাকালে ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০০৬ সালের ১০ এপ্রিল ছয়তলা শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদন দেয় সাভার পৌরসভা। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে আগের নথির তথ্য গোপন করে জালিয়াতির মাধ্যমে দশ তলা ভবনের নকশা অনুমোদন বাগিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়া শপিং কমপ্লেক্সের অনুমোদন নিয়ে সেখানে পাঁচটি পোশাক কারখানা স্থাপনের অবৈধ অনুমতি দেয় পৌর কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, ভবন মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে রানা প্লাজা ধসে হত্যা এবং ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও দুটি পৃথক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন: পল্টন হত্যাকাণ্ড মামলার নথি গায়েবের অভিযোগ জামায়াতের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন