প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরান ও ওমান যৌথভাবে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্দেশ্যে সাময়িকভাবে একটি নৌপথ চালুর প্রস্তাব দিয়েছে। মঙ্গলবার দুই দেশের কর্মকর্তারা এই উদ্যোগের ঘোষণা দেন, যা কয়েক সপ্তাহের টানাপোড়েনের পর এসেছে।
একটি যৌথ বিবৃতিতে ইরান ও ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সাময়িক নৌপথ চালুর পাশাপাশি প্রণালীতে থাকা মাইন অপসারণের জন্য ধাপে ধাপে একটি কাঠামো তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, স্থায়ী নৌপথ চালু এবং হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে আলোচনা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল বুসাইদি ইরান সফর করেন এবং দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে আল বুসাইদি জানান, শিগগিরই প্রণালীতে একটি সাময়িক নৌপথ চালুর ঘোষণা আসতে পারে।
তিনি আরও বলেন, প্রণালীর ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা ও স্থায়ী সমাধানের বিষয়টি পরবর্তী সময়ে নির্ধারণ করা হবে। এ বিষয়ে শান্তি, সহযোগিতা, স্থিতিশীলতা ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে।
অন্যদিকে, আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মন্তব্য করেন, প্রস্তাবিত সমঝোতা শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি ইরানের অঙ্গীকার এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার প্রতিফলন।
কয়েক সপ্তাহ ধরে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার জন্য ইরান ও ওমান আলোচনা চালিয়ে আসছে। আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের অচলাবস্থায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি গুরুত্বপূর্ণ দর-কষাকষির বিষয় হয়ে উঠেছে।
এদিকে, মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালীর সব মাইন সরিয়ে ফেলা হয়েছে অথবা বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। তিনি নতুন করে কোনো নৌযান মাইন পাতার চেষ্টা করলে তা ধ্বংস করার হুমকিও দেন। ট্রাম্প বলেন, প্রণালীর প্রতিটি বর্গইঞ্চির ওপর যুক্তরাষ্ট্র নজর রাখছে।
সূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন