প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির, সহকারী শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, দলীয়করণ এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের বাতিলের অভিযোগে প্রতিবাদী বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে এই বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। পরে, ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় সংগঠনটির নেতাকর্মীদের দ্বারা।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যেমন ‘চব্বিশের অঙ্গিকার, চাকরি পাবে মেধা যার; চাকরিতে দলীয়করণ, মানি না মানবো না; শিক্ষাঙ্গণে দলীয়করণ, মানি না মানবো না; নিয়োগে বৈষম্য, মানি না মানবো না; মেধার প্রতি অবিচার, মানি না মানবো না; সিন্ডিকেটের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও; প্ল্যান প্ল্যান কোন প্ল্যান, নিয়োগ বাণিজ্যের মাস্টার প্ল্যান’ ইত্যাদি।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, "এই সরকার ক্ষমতায় এসে শিক্ষক নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে হয়রানির পথ বেছে নিয়েছে। এনটিআরসিএ বাদ দিয়ে তারা দলীয় লোক নিয়োগ দিয়ে আবারও ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চেয়েছিল। এর আগে ভাইভার নাম্বার বাড়িয়ে দলীয়করণ করতে চেয়েছিল। এ দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা তা মেনে নিবে না। শিক্ষক নিয়োগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাদ দেওয়া হয়েছে। সরকারকে ভূতে ধরেছে। সরকার বারবার হাসিনার মত ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়। চব্বিশের অঙ্গিকার ছিল মেধাবীদের নিয়োগ দেওয়া।"
তিনি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, "মেধাবীদের হয়রানি না করে নিয়োগ দিন। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবীদের বাদ না দিয়ে আওয়ামী গুণ্ডাদের বাদ দিন এবং দেশের আইনশৃঙ্খলার অবস্থা উন্নত করে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি বন্ধ করুন। এ দেশের শিক্ষার্থীরা অবিচার ও বৈষম্য মেনে নেয়নি, নেবে না। আমরা সরকারের শুভাকাঙ্ক্ষী। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে মেধাবীদের নিয়োগ বাস্তবায়ন করুন। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে দলীয়করণ ছাত্র-জনতা মেনে নেবে না।"
এদিকে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলাফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। তবে, ভেরিফিকেশন শেষে বিভিন্ন জেলার ১২ শতাধিক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন