প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের উত্তর প্রদেশের নয়ডায় এক দম্পতি ও তাদের তিন সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। পুলিশের একটি সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে ওই পরিবারের পাঁচ সদস্য আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
গত শনিবার সকালে গ্রেটার নয়ডার নাগলা শ্রী পদম গ্রামের একটি বাড়ি থেকে ৩৭ বছর বয়সি মহেশ, তার ৩৫ বছর বয়সি স্ত্রী ললিতা, তাদের ৭ বছরের কন্যা মিষ্টি এবং ১১ ও ৩ বছরের দুই ছেলে লাড্ডু ও সাক্ষাতের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে খাদ্যে বিষক্রিয়া বলে মনে করা হয়েছিল, কারণ শুক্রবার সন্ধ্যায় মেলা ঘুরে রাত ১০টার দিকে বাড়ি ফিরে পরিবারটি রাতের খাবারে নুডলস খেয়েছিল।
তবে, পুলিশের সূত্র জানাচ্ছে, মহেশ নিজেই ওই নুডলসের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে ছিলেন। মহেশের স্বজন নীরজ গণমাধ্যমকে জানান, পরিবারের সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল, যা পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন, স্বামীর মৃত্যুর পর তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল এবং মহেশ তাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে পরিবারটি একদিন আবার একসঙ্গে বসবাস করবে।
ঘটনাটি তদন্তকারী খাদ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তাগণও জানিয়েছেন, এটি খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঘটনা নয়, বরং সুপরিকল্পিতভাবে বিষ প্রয়োগের ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। তিনি বলেন, "এটি খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঘটনা বলে মনে হচ্ছে না। আমাদের সন্দেহ, এটি কোনো বিষাক্ত পদার্থ প্রয়োগের মাধ্যমে ঘটানো হত্যাকাণ্ড বা আত্মহত্যা।"
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীদের বমি বা ডায়রিয়ার মতো কোনো উপসর্গ ছিল না, যা সাধারণত খাদ্যে বিষক্রিয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায়। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিশুদের একজনের মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে দেখা গিয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন