প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ ছাত্রদের গণ-আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন। তবে, এটি ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নয়, বরং ২৫ অক্টোবরের আগাম সংসদীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ক্ষমতায় টিকে থাকার কৌশল হিসেবে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সার্বিয়ার রাজনীতিতে আধিপত্য বজায় রাখা ভুচিচের শাসনের বিরুদ্ধে এটি বর্তমানে সবচেয়ে বড় সামাজিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নভেম্বর ২০২৪ সালে নোভি সাদের একটি রেলস্টেশনে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ১৬ জনের মৃত্যুর পর থেকে সার্বিয়ায় সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্নীতি, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও অস্বচ্ছতার অভিযোগে ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা বিক্ষোভ ও জনদাবির মুখে ভুচিচকে আগাম নির্বাচন দিতে বাধ্য হতে হয়েছে। এই নির্বাচনে ভুচিচের ক্ষমতাসীন সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টির (এসএনএস) প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছে ছাত্র ও বিভিন্ন বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত ‘ছাত্রদের জয়’ জোট।
তবে, এই রাজনৈতিক অস্থিরতা সার্বিয়ার ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই; গোটা পশ্চিম বলকান অঞ্চলে এর প্রভাব পড়ছে। পার্শ্ববর্তী দেশগুলো আশা করছে, সার্বিয়ায় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটলে পুরো অঞ্চলের কূটনৈতিক উত্তেজনা কমবে। অন্যদিকে, চীনা বিনিয়োগ ও রাশিয়ার জ্বালানি থাকা সত্ত্বেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর তুলনায় সার্বিয়ার অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার মান পিছিয়ে রয়েছে, যা নির্বাচনে ভোটারদের ওপর প্রভাব ফেলবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভুচিচ হেরে গেলেও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্ষমতার দ্বন্দ্বে সার্বিয়ায় নতুন সংকট সৃষ্টি হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন