প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপালে ভয়াবহ হড়কা বানের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে কমিউনিটি ইনেশিনিটিভ সোসাইটি (সিআইএস) এবং ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্ট টিম (ডিসিএইচটি)। বন্যার কারণে দুর্ভোগে পড়া এলাকাগুলোতে জরুরি চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখার জন্য ত্রিশূলি বাজারের ১ নম্বর মিলিটারি ট্রেনিং সেন্টার ফিল্ড হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী হস্তান্তর করেছে উক্ত সংগঠনগুলোর একটি দল।
নেপাল থেকে সিআইএস ও ডিসিএইচটি দলের সদস্য মো. গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় শিশু, বয়স্ক, নারী এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকে। দুর্যোগের কারণে নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ ব্যাহত হলে এসব রোগীর শারীরিক জটিলতা আরও বাড়তে পারে। তাই বন্যাকবলিত মানুষের চিকিৎসাসেবা নির্বিঘ্ন রাখতে জরুরি ওষুধ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
হস্তান্তরিত সামগ্রীর মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানি ও হাইপারলিপিডেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের ওষুধ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি, বন্যার পর সাধারণভাবে দেখা দেওয়া সর্দি-কাশি, চর্মরোগ, গ্যাস্ট্রিকসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধও প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া, বন্যার পানির কারণে সংক্রমণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে স্যানিটারি প্যাড, মাস্ক, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবানসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধে এসব সামগ্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
দুর্যোগের সময় দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে ফিল্ড হাসপাতালগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও এসব হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সম্মুখসারিতে থেকে বন্যাকবলিত মানুষের চিকিৎসাসেবা প্রদান করে চলেছেন।
সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন, দুর্যোগের সময়ে মানবিক সহায়তা ও পারস্পরিক সহযোগিতাই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সিআইএস ও ডিসিএইচটির এই উদ্যোগের মাধ্যমে নেপালের বন্যাদুর্গত মানুষের জরুরি চিকিৎসাসেবা আরও কার্যকরভাবে চালু রাখা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন