প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের উত্তর প্রদেশের কানপুরে গঙ্গা নদীর তীরের নিকটে একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট এবং সহ-পাইলট নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) তারিখে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানটি ছিল চার আসনের দুই ইঞ্জিনের এবং এতে থাকা দুজনের একজন ছিল প্রশিক্ষণার্থী, অপরজন প্রশিক্ষক।
নিহতদের মধ্যে গুজরাটের শচীন ভাটিয়া এবং কর্ণাটকের অভিষেক পূজারি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টায় তারা কানপুরের গার্গ এভিয়েশন ট্রেনিং সেন্টার থেকে উড্ডয়ন করেন। প্রায় ২০ মিনিট পর, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ফেরার পথে সকাল ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয়।
পুলিশের এক কর্মকর্তা লাল জানিয়েছেন, প্রশিক্ষকের বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল প্রায় ৩ হাজার ঘণ্টা। দুর্ঘটনার বিষয়টি ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল অধিদপ্তর (ডিজিসিএ) কে জানানো হয়েছে। ডিজিসিএর একটি দল ঘটনাটির বিস্তারিত তদন্তে নিয়োজিত হবে। পুলিশ দুর্ঘটনাস্থলকে ঘিরে রেখেছে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর জরুরি সেবাদানকারী সংস্থা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ঘটনাস্থলের ভিডিও এবং ছবিতে দেখা যায়, ঘাস ও গাছপালায় ঘেরা এলাকায় বিমানটি সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হয়ে রয়েছে। বিমানের ধাতব অংশগুলো দুমড়ে-মুচড়ে গেছে এবং ডানা ও সাদা রঙের অন্যান্য অংশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আবারও জানানো হয়েছে, বিমানটিতে থাকা দুজনের একজন প্রশিক্ষণার্থী এবং অপরজন প্রশিক্ষক ছিলেন। নিহতদের মধ্যে গুজরাটের শচীন ভাটিয়া এবং কর্ণাটকের অভিষেক পূজারি রয়েছেন।
উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই দুর্ঘটনায় নিহত পাইলটদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দেওয়ার জন্য প্রার্থনা করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন