প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে হ্রাস ঘটেছে। বর্তমানে দেশের মোট রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ হিসাব পদ্ধতির অনুযায়ী, ব্যবহারযোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ কমে ২৯ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। প্রকৃত রিজার্ভের হিসাব মোট রিজার্ভ থেকে বিভিন্ন ধরনের দায়দেনা বাদ দিয়ে করা হয়ে থাকে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের জন্য আকুর ১৬৪ কোটি ডলারের আমদানি বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এর পূর্ববর্তী দুই মাসে পরিশোধের পরিমাণ ছিল ১৩৯ কোটি ডলার। মূলত আমদানি বৃদ্ধির কারণে আকুর বিলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার দেশের মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার। আকুর বিল পরিশোধের পর বৃহস্পতিবার এটি কমে ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী, বুধবার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। বৃহস্পতিবার তা কমে ২৯ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।
আকু এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে একটি আন্তআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। সদস্য নয়টি দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির মূল্য দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। তবে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আকুর সদস্যদেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন