প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনার ঈশ্বরদীতে আলোচিত দাদি হত্যার পাশাপাশি নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলার বিচারকাজ বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
এই মামলায় সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর আদালত এখন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন আলামত ও প্রমাণ গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত সূত্রে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, নিহত সুফিয়া খাতুনকে হত্যার পর তাঁর নাতনি জামিলা আক্তার সেতুকে অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর দাখিল করা অভিযোগপত্রে ৩১ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে মোট ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে হত্যাকাণ্ড-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রমাণ গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষে মামলার চূড়ান্ত রায়ের দিকে আদালত অগ্রসর হবে।
এর আগে, ২৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) মধ্যরাতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরদিন সন্দেহভাজন শরিফুল ইসলামকে তার বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে এককভাবে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
এ ঘটনায় ১ মার্চ রাত ১২টার দিকে নিহত সুফিয়া খাতুনের মেয়ে মর্জিনা খাতুন বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়ের করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন