প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তাইওয়ান এবং তার আশপাশের অঞ্চলে চীনের সামরিক তৎপরতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, দেশের ভূখণ্ডের চারপাশে চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ৮টি যুদ্ধবিমান, নৌবাহিনীর ৬টি জাহাজ এবং ৪টি সরকারি জাহাজ শনাক্ত করা হয়েছে।
এসবের মধ্যে ৮টি যুদ্ধবিমান, ৬টি তাইওয়ান প্রণালীর মধ্যরেখা অতিক্রম করে দেশের উত্তর, দক্ষিণ-পশ্চিম এবং পূর্বাঞ্চলীয় এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে প্রবেশ করে। তাইওয়ানের সশস্ত্র বাহিনী পুরো পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, গত কয়েকদিন ধরেই ধারাবাহিকভাবে চীনের এই তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে চলমান এই উত্তেজনার মধ্যে আন্তর্জাতিক স্তরে আলোচনা চলছে। গত ৩ জুলাই চীন আশা প্রকাশ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান সম্পর্কিত বিষয়গুলো বিচক্ষণতার সাথে সামলাবে। ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং জানান, চিনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর কথোপকথনে দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলো আলোচনা করে সঠিক পথে অবিচল থাকার কথা বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৬৮৩ সালে চিং রাজবংশের দ্বীপটি দখলের পর থেকেই মূলত তাইওয়ানের ওপর চীনের দাবির সূত্রপাত। বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দাবি করলেও, তাইওয়ান স্বশাসিত সরকার, নিজস্ব সামরিক বাহিনী এবং অর্থনীতি নিয়ে স্বাধীনভাবে নিজেদের বজায় রেখেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন