প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নতুন একটি সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। রাশিয়ার দ্রুতগতির ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে তাদের আধুনিক অস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের বিমানবাহিনী ১৯৭০-এর দশকের পুরোনো অস্ত্রের দিকে ঝুঁকতে বাধ্য হচ্ছে।
যুদ্ধের শুরুতে ২০২২ সালে ‘আর-৬০’ নামের ক্ষেপণাস্ত্রটি পুরোনো হিসেবে বিবেচিত হতো। তবে ইউরো মাইদান প্রেসের তথ্য অনুযায়ী, আধুনিক অস্ত্রের অভাবে এখন ইউক্রেনের মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানগুলো বাধ্য হয়ে এই অস্ত্রটি ব্যবহার করছে।
রাশিয়া সম্প্রতি অনেক দ্রুতগতির ড্রোনের ব্যবহার বাড়িয়েছে। গেরান-৩ এবং গেরান-৫ নামের এই ড্রোনগুলো ঘণ্টায় প্রায় ৭০০ কিলোমিটার বেগে চলতে সক্ষম। ফলে মাটি থেকে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এগুলো ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
আকাশপথে এই ড্রোনগুলো আটকাতে ইউক্রেন পশ্চিমা এফ-১৬ এবং পুরোনো মিগ-২৯ বিমান ব্যবহার করছে। পূর্বে মিগ-২৯ বিমানে ‘আর-৭৩’ নামের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার হতো। কিন্তু অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ায় পুরোনো ‘আর-৬০’ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মিগ-২৯ থেকে এই পুরোনো অস্ত্র ছুড়ে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হচ্ছে।
অত্যাধুনিক এফ-১৬ বিমানের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্রের অভাবে অনেক পাইলট কেবল বিমানের নিজস্ব বন্দুক নিয়ে আকাশে উড়াল দিচ্ছেন।
এদিকে রাশিয়ার ড্রোন হামলার পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে। আগস্ট মাসে ইউক্রেনে প্রায় আড়াই হাজার দ্রুতগতির ড্রোন পাঠিয়েছে মস্কো। উন্নত অস্ত্রের অভাবে ইউক্রেন এসব ড্রোন আগের মতো ধ্বংস করতে পারছে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন