প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় ইলিশ মাছ ১০ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে শাহজাহান ব্যাপারীর আড়তে নিলামে মাছটি সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে কিনে নেন স্থানীয় ব্যবসায়ী বিষু ব্যাপারী। নিলামে অংশগ্রহণকারী অন্তত ১৭ জন ব্যবসায়ী ছিলেন।
জানা গেছে, উপজেলার হরণী ইউনিয়নের জেলে জাহেদ মাঝির জালে ইলিশটি ধরা পড়ে। রোববার সকালে ১২ জন জেলেকে নিয়ে সাঙ্গু গ্যাসফিল্ডের কাছে নদীতে মাছ ধরতে যান জাহেদ মাঝি। সোমবার রাতে জাল ফেলার পর মঙ্গলবার তা তোলার সময় জালে বড় ইলিশটি আটকা পড়ে। পরে মাছটি চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে নিয়ে এসে আড়তে বিক্রি করা হয়।
ইলিশের ক্রেতা বিষু ব্যাপারী বলেন, "আমি ১০ হাজার ৯০০ টাকায় ইলিশটি কিনেছি। মাছটি ঢাকার মোকামে পাঠাব। সেখানে ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারব। রাজধানীতে বড় ইলিশের বিশেষ চাহিদা রয়েছে।"
জেলে জাহেদ মাঝি বলেন, "জালে বড় ইলিশটি পাওয়ার পর আমরা খুব খুশি হয়েছি। মাছটি ছাড়াও আরও মাছ ধরেছি। সব মিলিয়ে চেয়ারম্যানঘাট মাছঘাটে প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকার মাছ বিক্রি করেছি।"
আড়তদার শাহজাহান ব্যাপারী বলেন, "জাহেদ মাঝি সাগর থেকে বড় ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিয়ে তার আড়তে আসেন। এর মধ্যে ৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশটির দাম নিলামে ১০ হাজার ৯০০ টাকা ওঠে। পরে সর্বোচ্চ দরদাতা বিষু ব্যাপারীর কাছে মাছটি বিক্রি করা হয়।"
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাঈন উদ্দিন বলেন, "এবার ইলিশ কম পাওয়ায় জেলেরা হতাশ। তবে মাঝেমধ্যে বড় আকারের কিছু ইলিশ ধরা পড়ছে। বড় ইলিশ দেখে ভালো লাগছে, যদিও অনেকেই তা কিনতে পারছেন না।"
এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মো. ফয়জুর রহমান বলেন, "এবার তুলনামূলকভাবে কম মাছ ধরা পড়ছে। এর মধ্যে দু-একটি বড় ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেরা কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন। আশা করছি, ভরা পূর্ণিমায় আরও বেশি মাছ ধরা পড়বে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন