প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুনভাবে পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কাতারের মতো মধ্যস্থতাকারী দেশগুলির মাধ্যমে দুই পক্ষ আলাদাভাবে আলোচনা করতে যাচ্ছে, এমন তথ্য পাওয়া গেছে রয়টার্স ও দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সূত্রে।
সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরান একটি ৭ দিনের যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা প্রস্তাব উত্থাপন করেছে। এই প্রস্তাবের সংশোধিত রূপ নিয়ে মূলত আলোচনা চলবে।
মূল বিরোধের জায়গা
হরমুজ প্রণালী ও জ্বালানি সংকট: বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ যে প্রণালী দিয়ে হয়, সেই হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রস্তাব ইরান দিয়েছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় ৩ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য ব্যারেল প্রতি ১০৭ ডলার ছাড়িয়ে যায়।
পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড়ের চাপ: যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে তাদের পরমাণু কর্মসূচিতে বড় ধরনের ছাড় দিতে চাপ দিচ্ছে। অপরদিকে, ইরান তাদের জব্দকৃত বৈদেশিক সম্পদ মুক্ত করা, তেল খাতের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবি করছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ (IRNA) জানিয়েছে, নিউ ইয়র্কে অবস্থানরত ইরানি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল কাতারের মাধ্যমে নিজেদের স্পষ্ট অবস্থান ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখেও নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকার সংকেত দিয়েছে তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব। তাদের মতে, অর্থনৈতিক অবরোধ বা সামরিক হামলা যাই আসুক না কেন, জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাবে না ইরান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন