প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর আন্ত: উপজেলার শীর্ষ ইয়াবা ডিলার সোহাগকে, অপহরণসহ একাধিক মামলার আসামি হিসেবে দুই সহযোগি সহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার উওর বাদাঘাট ইউনিয়নের মোদেরগাঁও গ্রামের মৃত জালালের ছেলে সোহাগ, মোল্লাপাড়া গ্রামের আক্কল আলীর ছেলে রুয়েল এবং একই গ্রামের মতিউরের ছেলে নুরুজ্জামান ময়না। উল্লেখ্য যে, গ্রেফতার সোহাগ উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান জালালের ছেলে এবং উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক রায়হান উদ্দিন রিপনের চাচাত ভাই।
মঙ্গলবার তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ জানান, গ্রেফতার সোহাগের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় ২০১৫ সাল থেকে ছিনতাই, হত্যাচেষ্টা, সংঘর্ষসহ চারটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। সোহাগ আন্ত:উপজেলায় একজন শীর্ষ ইয়াবা ডিলার ও ইয়াবাসেবী।
মামলা ও প্রত্যক্ষদর্শী উপজেলার বারহাল গ্রামের আজিজুর রহমান কাউছার, মোল্লাপাড়ার খোকন, সোহালার সাজ্জাদ সহ একাধিক মানুষের কাছ থেকে জানা যায়, সোহাগ মোল্লাপাড়ায় বাদাঘাট সরকারি কলেজের পাশে একটি বাড়িতে বসবাস করে এবং যুবলীগ নেতা রিপন ও পরিবারের দাপুটে সদস্য। সে এক যুগ ধরে আন্ত:উপজেলায় ইয়াবা বিক্রয় করে আসছিলো।
সোমবার দিবাগত রাতে মোল্লাপাড়ার একটি পতিত ঘরে ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয় এবং সেবনকালে এলাকার লোকজন তাদেরকে আটক করেন। পরে পুলিশ আসার খবর পেয়ে সোহাগ ও তার সহযোগিরা ২ থেকে ৩’শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট কৌশলে টয়লেটের ভেতর ফেলে দেয়। একই সময়ে সোহাগ এলাকার লোকজনকে উল্টো মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার এবং পরিবারের প্রভাবে মারধরের হুমকি দেয়।
তাহিরপুর থানার বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (মামলার বাদী) এসআই মনিরুজ্জামান সজল জানান, সোহাগ আন্ত:উপজেলার শীর্ষ ইয়াবা ডিলার। তাকে ও তার সহযোগিদের শতাধিক লোকজন আটকে রাখার পর পুলিশ আসার খবর পেয়ে টয়েলেটের ভেতর ইয়াবার চালান কৌশলে ফেলে দেয়া হয়।
তদন্ত চলমান রয়েছে, ইয়াবা কারবারে জড়িত তার অন্য সহযোগিদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন