প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নাচোল উপজেলার ১নং কসবা ইউনিয়নে কৃষক-কৃষাণীদের সংগঠিত করার রাজনৈতিক কাজে বাধা প্রদান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার এবং নারী রাজনৈতিক কর্মী মরিয়ম বেগমকে মানসিকভাবে হেনস্থা করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় গণসংহতি আন্দোলন নাচোল উপজেলা অফিসে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, নাচোল উপজেলা আহ্বায়ক নূরুদ্দীন। লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, কসব ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে কৃষক-কৃষাণীদের সংগঠিত করার কাজ চলছিল। এই কার্যক্রম চলাকালে গত ২ অক্টোবর স্থানীয় মইনুল নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি মরিয়ম বেগমকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ, মানসিকভাবে হেনস্থা এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে হয়রানি করে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা মিথ্যা অভিযোগে মরিয়ম বেগমকে অবরুদ্ধ করে রেখে গ্রাম পুলিশ ডেকে আনে এবং সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে 'নাচোল বার্তা' নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে সেই ভিডিও প্রকাশ করে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে তার চরিত্রহনন ও অপপ্রচার চালানো হয়।
সংবাদ সম্মেলন থেকে বক্তারা এই অন্যায় ও কুৎসিত ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে ৩ দফা দাবি তুলে ধরেন:
১. আইনের আওতায় আনা: মূল হোতা মইনুল ও অপপ্রচারকারী ফেসবুক পেজের এডমিনসহ ঘটনায় জড়িত ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
২. রাজনৈতিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বন্ধ: নাচোল উপজেলার কসবা ইউনিয়নসহ যেকোনো এলাকায় গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনায় বাধা দেওয়া বন্ধ করতে হবে।
৩. নারী কর্মীদের নিরাপত্তা: মাঠে-ঘাটে কাজ করা নারী রাজনৈতিক কর্মীদের সার্বিক নিরাপত্তা এবং নির্বিঘ্নে কাজ করার গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মরিয়ম বেগম নিজে উপস্থিত থেকে তার ওপর ঘটে যাওয়া নিপীড়নের কথা তুলে ধরেন। এতে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মুরাদ মোর্শেদ এবং রাজশাহী বিভাগীয় সম্পাদক জুয়েল রানা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অপপ্রচার কিংবা প্রশাসনিক হুমকি দিয়ে গণসংহতি আন্দোলনের রাজপথের লড়াই ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড দমন করা যাবে না। অবিলম্বে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন