প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে আলোচনা বর্তমানে তীব্রভাবে চলছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা পর্দার আড়ালে ডেমোক্রেটিক পার্টির নীতি নির্ধারণে এবং এআই সংক্রান্ত বিতর্ক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর একটি প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৮ সালের পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীদের জন্য এআই নিয়ে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর রূপরেখা তৈরির আহ্বান জানাচ্ছেন ওবামা। তবে সিলিকন ভ্যালি এবং বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটার সম্ভাবনা নিয়ে পার্টির অনেক শীর্ষ নেতা এখনও কিছুটা সতর্ক ও দ্বিধান্বিত অবস্থানে রয়েছেন।
সম্প্রতি কোলগেট বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চে ওবামা সতর্ক করে বলেছেন, প্রাইভেট টেক জায়ান্টদের হাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশ যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে তা সমাজের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। তিনি যুক্তি দেন যে, যেভাবে এভিয়েশন বা খাদ্য নিরাপত্তা কেবল বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় না, তেমনি এআই-এর নিরাপত্তাও কেবল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ঐচ্ছিক সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়।
বর্তমানে মার্কিন রাজনীতিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এআই নীতি এবং ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামা ডেমোক্রেটিক পার্টিকে এআই প্রযুক্তির ইতিবাচক দিকগুলো নিশ্চিত করার পাশাপাশি চাকরি হারানো, বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো এবং সম্ভাব্য জাতীয় ঝুঁকির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট সরকারি নিয়ন্ত্রণের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন