ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জোরারগঞ্জ পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৫০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৫


জোরারগঞ্জ পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৫০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৫

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী এবং ফৌজদারী কার্যবিধি ১৫১ ধারায় দুই অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে। গত ২৯ ও ৩০ জুলাই (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) রাতে আলাদা অভিযান চালিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সহকারী পুলিশ সুপার (মীরসরাই সার্কেল) নাদিম হায়দার চৌধুরীর তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় এবং জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে ২৯ জুলাই রাত আনুমানিক ১০টা ৫০ মিনিটে এসআই (নিঃ) মামুন হাসানের নেতৃত্বে একটি দল ৬ নম্বর ইছাখালী ইউনিয়নের জোরা কবরস্থান এলাকায় সালাহ উদ্দিনের দোকানের সামনে থেকে ৫০ পিস ইয়াবাসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ইছাখালী ইউনিয়নের ছুন্নিমিঝির টেক গ্রামের মোঃ আলীর ছেলে মোঃ ইমাম হোসেন (২৫), সাহেবদীনগর গ্রামের মৃত আমিনুল হকের ছেলে নুর নবী (৫০) এবং কাটাছড়া ইউনিয়নের পূর্ব বাড়ীয়াখালী গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে মোঃ মান্নান (২৫)।
অন্যদিকে, ৩০ জুলাই রাত দেড়টার দিকে বারইয়ারহাট বাজার এলাকায় নাইট ডিউটিকালে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় ফৌজদারী কার্যবিধি ১৫১ ধারায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেন পিএসআই (নিঃ) মোঃ কামরুল হাসান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর থানার বালিয়াদ্দি গ্রামের মৃত ওহাব মিয়ার ছেলে মোঃ সাদ্দাম হোসেন (৩৭) এবং খুলনার দিঘলিয়া থানার চান্দি মহল গ্রামের মৃত মনোরঞ্জন সরকারের ছেলে সঞ্জয় সরকার (৩২)। উভয়েই বর্তমানে বারইয়ারহাট পৌরসভা এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদক নির্মূলে থানা পুলিশের এই বিশে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা আহসান হাবিবকে ঘিরে সম্পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাহমুদ খান

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫০ পি.এম


বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা আহসান হাবিবকে ঘিরে সম্পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা (বিভাগীয় মামলা সেল) আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন, দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলোকে কেন্দ্র করে সংস্থার ভেতরে আলোচনা তৈরি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, আহসান হাবিব প্রায় ১৫ বছর ধরে একই পদে ও একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন। এই সময়ে বিভাগীয় মামলা পরিচালনার দায়িত্বকে কেন্দ্র করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি, বদলি বা সাময়িক বরখাস্তের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, চাকরি প্রদান, বদলি, ঘাটের টেন্ডার ও ইজারা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করে তিনি এবং তৎকালীন এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার জন্য অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করছেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কুমিল্লা ও ঢাকায় একাধিক স্থাবর সম্পদ, ব্যক্তিগত গাড়ি, মাছের ঘের, গরুর খামার এবং ফ্ল্যাটের মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব সম্পদের পরিমাণ তাঁর ঘোষিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে, আহসান হাবিব এর সাথে যোগাযোগ করেও তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।

এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিআইডব্লিউটিএর কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর দাবি, দীর্ঘ সময় একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বিষয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।

অভিযোগকারীরা বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনি সুরক্ষা জোরদারে আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর, ব্লাস্ট ও ব্র্যাকের সমঝোতা স্মারক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


আইনি সুরক্ষা জোরদারে আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর, ব্লাস্ট ও ব্র্যাকের সমঝোতা স্মারক

ঢাকা, ৩০ জুলাই, ২০২৬ : দেশের সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও শ্রমিকদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা আরও বিস্তৃত করতে জাতীয় আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সাথে পৃথক দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) ও ব্র্যাকের ‘সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা’ (সেল্প) কর্মসূচি。

বৃহস্পতিবার সকালে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের উপস্থিতিতে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

‘আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর আওতায় দেশে প্রথমবারের মতো পেশাদার মধ্যস্থতাকারী (প্রফেশনাল মেডিয়েটর) তৈরির সুযোগ তৈরি এবং তাদের প্রশিক্ষণ ও আইনি স্বীকৃতি নিশ্চিত করার ধারাবাহিকতায় এই সমঝোতা স্মারক দুটি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

প্রথম সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর (ডিবিএলএ) এবং ব্লাস্ট যৌথভাবে ঢাকা, গাজীপুর ও চট্টগ্রামে ৩ জন কোর্ট প্যারালিগ্যাল নিয়োগ ও পরিচালনা করবে। ব্লাস্টের তত্ত্বাবধানে নিযুক্ত এই প্যারালিগ্যালরা শ্রম আইন সহায়তা সেলে আগত শ্রমিকদের শুধু প্রয়োজনীয় আইনি তথ্য সরবরাহ করবেন। তবে তারা ‘ডু নো হার্ম’ (কারো ক্ষতি না করা) নীতি অনুসরণ করবেন এবং সরাসরি কোনো আইনি পরামর্শ প্রদান করতে পারবেন না।

পাশাপাশি, ब्लাস্ট পরিচালিত আপসযোগ্য বিরোধের মধ্যস্থতা সফল হলে ডিবিএলএ তাকে সরকারি আইনি স্বীকৃতি দেবে এবং মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের মাধ্যমে আদালতে নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য ব্যর্থতার প্রত্যয়নপত্র দেওয়া হবে।

অন্য চুক্তিটির অধীনে ব্র্যাকের নিজস্ব অর্থায়নে পেশাদার মধ্যস্থতাকারীদের জন্য ৬টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে। সফল অংশগ্রহণকারীদের সনদপত্র প্রদান করবে ডিবিএলএ। ব্র্যাকের সনদী মধ্যস্থতাকারী কর্তৃক মীমাংসিত বিরোধের নথি সংশ্লিষ্ট চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (সিএলএও) দ্বারা সত্যতা যাচাই শেষে আইনি বৈধতা পাবে। তাছাড়া বিবাদী অনুপস্থিত থাকলে বা মধ্যস্থতা অমীমাংসিত থাকলে আদালতে মামলা করার সুযোগ রেখে প্রতিবেদন জারি করবে লিগ্যাল এইড অফিস।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সরকারি লিগ্যাল এইড ব্যবস্থার সাথে শীর্ষস্থানীয় এনজিওগুলোর এই প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় দেশের বিচারপ্রার্থী প্রান্তিক পর্যায়ের জনগোষ্ঠী ও শ্রমিক সমাজের কাছে দ্রুত ও আইনি সেবা পৌঁছে দিতে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, ব্লাস্ট ও ব্র্যাকের মতো অভিজ্ঞ এনজিওগুলোর দক্ষতা ও প্রান্তিক পর্যায়ে কাজ করার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে সরকার কাজে লাগাতে চায়। পাশাপাশি জাপান (জাইকা), জার্মানি (জিআইজেড) ও ইউএনডিপির মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাও এডিআর জোরদারে সহযোগিতা করছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েস, অতিরিক্ত সচিব এস. এম. এরশাদুল আলম, আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন, ব্লাস্টের অবৈতনিক নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেন এবং ব্র্যাকের সেল্প কর্মসূচির সহযোগী পরিচালক শাশ্বত বিপ্লবসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬ মাসে ১ হাজার ৩১৬ কোটি টাকা লোকসানে ইসলামী ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ পি.এম


৬ মাসে ১ হাজার ৩১৬ কোটি টাকা লোকসানে ইসলামী ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সমন্বিতভাবে ১ হাজার ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা লোকসান করতে বাধ্য হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে ব্যাংকটি ৬৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা মুনাফা অর্জন করেছিল।

ফলের পরিণতিতে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির আর্থিক অবস্থার বড় ধরনের অবনতি ঘটেছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান কার্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক শেষে প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

টিবিএস এক প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুন সময়কালে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) ৮ টাকা ১০ পয়সা হয়েছে। এর আগে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটি ২৮৮ কোটি টাকা লোকসান করেছে কিন্তু দ্বিতীয় প্রান্তিকে সেই লোকসান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৮ কোটি ২৬ লাখ টাকায়।

সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে একক হিসাবেও ব্যাংকটির ছয় মাসের লোকসান ১ হাজার ৩২৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা হয়েছে। এই সময়ে একক শেয়ারপ্রতি লোকসান ৮ টাকা ২৪ পয়সা হয়েছে।

বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরই ইসলামী ব্যাংক মুনাফায় ছিল। এই সময়ের মধ্যে ২০২৫ সালে ১৩৬ কোটি ৩৪ লাখ, ২০২৪ সালে ১০৮ কোটি ৭৮ লাখ এবং ২০২৩ সালে সর্বোচ্চ ৬৩৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা মুনাফা করেছে ব্যাংকটি।

ব্যাংকটির ভাষ্যে, আমানতের বিপরীতে মুনাফা পরিশোধের ব্যয়ের বৃদ্ধি, খেলাপি বিনিয়োগ বাড়ার কারণে বিনিয়োগ আয় কমে যাওয়া এবং অন্যান্য ব্যাংকে রাখা অর্থ থেকে আয় হ্রাস পাওয়ার কারণে এ লোকসান হয়েছে।

এ বিষয়ে ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এস আলম গ্রুপের কাছে বিপুল পরিমাণ ঋণ আটকে থাকায় সেখান থেকে কোনো আয় হচ্ছে না। কিন্তু আমানতকারীদের মুনাফা নিয়মিত পরিশোধ করতে হচ্ছে। বর্তমানে ব্যাংকের মোট আমানত প্রায় ১ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকা, তবে এর মধ্যে মাত্র ৬০ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে নিয়মিত অর্থ আদায় হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

সংকট উত্তরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি (এএমসি) গঠন বা বিশেষ ব্যবস্থায় অনাদায়ী ঋণের একটি অংশ ব্যালান্স শিটের বাইরে রাখার সুযোগ দেওয়া হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন ওই কর্মকর্তা।

তিনি আরও জানান, গত দুই দিনে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার নতুন আমানত এসেছে এবং নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আস্থা আরও বাড়বে বলে তারা আশা করছেন।

ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন বলেন, ‘একটি বড় শিল্পগোষ্ঠীতে বিপুল বিনিয়োগ আটকে থাকার কারণে সেখান থেকে কোনো আয় আসছে না। অন্যদিকে আমানতকারীদের মুনাফা পরিশোধ অব্যাহত রাখতে হচ্ছে। এই কারণেই ব্যাংকটি লোকসানে পড়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বাল্যবিবাহ বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০১ পি.এম


নরসিংদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বাল্যবিবাহ বন্ধ

জেলার মনোহরদী উপজেলায় একটি বাল্য বিবাহের আয়োজন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পণ্ড করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার দুপুরে খিদিরপুর ইউনিয়নের পীরপুর এলাকায় বাল্য বিবাহের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছিল।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেহানা আক্তার এবং মনোহরদী থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে একটি বাল্য বিবাহ বন্ধ করে দেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের সূত্র অনুসারে, যাচাই-বাছাই করে দেখা যায় কনের জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী তার বয়স ১৪ বছর ৩ মাস ৭ দিন। মেয়েটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। এ কারণে বিয়ের আয়োজনটি বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হওয়ার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হয়।

এই ঘটনায় বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। একইসঙ্গে ছেলে এবং মেয়ের অভিভাবকদের কাছে মেয়ের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে পুনরায় বিয়ের চেষ্টা করতে নিষেধ করে লিখিত মুচলেকা নেয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন মনোহরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%