প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ডাক্তারের এপ্রোন পরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলা এবং প্রলোভন দেখিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে শারমিন আক্তার (৩৪) নামে এক নারীকে আটক করেছেন আনসার সদস্যরা। পরে তাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পারেন হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা। পরে পিসি মো. সাদেক হোসেন বাচ্চুর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল হাসপাতালের তৃতীয় তলায় অভিযান চালায়।
অভিযানের একপর্যায়ে ৩১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ডাক্তারের এপ্রোন পরা অবস্থায় শারমিন আক্তারকে দেখতে পান আনসার সদস্যরা। তার পরিচয় ও হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি প্রথমে নিজেকে চিকিৎসক দাবি করেন। একপর্যায়ে তিনি জানান, তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, শারমিন আক্তার ডাক্তারের এপ্রোন পরে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
বিষয়টি জানতে পেরে আনসার সদস্যরা নজরদারি বাড়িয়ে তাকে আটক করেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। অভিযানে অংশ নেওয়া আনসার সদস্যরা হলেন পিসি মো. সাদেক হোসেন বাচ্চু, এপিসি মো. শফিকুল ইসলাম ও আনসার মো. আকিদুল ইসলাম।
পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ওই নারীকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনসার সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। দালালি, প্রতারণা কিংবা রোগীদের বিভ্রান্ত করে অন্যত্র নেওয়ার মতো কর্মকাণ্ড প্রতিরোধেও তারা নজরদারি করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন