প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার কোম্পানিগুলোকে ‘অবিলম্বে’ যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন, যা কানাডার সঙ্গে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধের উত্তাপের মধ্যে এসেছে।
ট্রাম্প রবিবার তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, কানাডীয় কোম্পানিগুলোর উচিত যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সদর দপ্তর ও উৎপাদন কার্যক্রম স্থানান্তর করা, যাতে তারা নতুন শুল্ক এড়াতে পারে। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসলে কোনো শুল্ক দিতে হবে না।
তিনি লিখেছেন, "আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করা সব কানাডীয় কোম্পানির অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসা উচিত।"
ট্রাম্পের এই মন্তব্য কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর এসেছে। সম্প্রতি, তিনি কানাডীয় কিছু পণ্যে, যেমন দুগ্ধপণ্য ও কাঠে, সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। এর জবাবে কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়ামসহ বিভিন্ন পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে।
অন্য একটি পোস্টে ট্রাম্প কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ‘সবচেয়ে খারাপ’ বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন, যদিও কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে প্রতি বছর প্রায় ৯০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কার্যক্রম হয়ে থাকে।
ট্রাম্প বলেন, তিনি কানাডার গাড়ি, যন্ত্রাংশ কিংবা অন্য কোনো পণ্য চান না। তাঁর দাবি, কানাডা কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে ঠকিয়ে আসছে।
এদিকে, কানাডার রাজনৈতিক নেতারা ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছেন। ওন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড মন্তব্য করেন, বাণিজ্যযুদ্ধ দুই দেশের অর্থনীতির জন্য ব্যাপক ক্ষতিকর হবে। তিনি ট্রাম্পের লেক অন্টারিওর নাম ‘লেক আমেরিকা’ করার সিদ্ধান্তও প্রত্যাখ্যান করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার সতর্ক করে বলেছেন, যদি কানাডা আরও পাল্টা ব্যবস্থা নেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও তার জবাব দেবে।
সূত্র, রয়টার্স, আন্দুলু
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন