প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নওগাঁতে ডাবের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে এবং মানুষের কাছে ভুল তথ্য দিয়ে টাকা-পয়সা ও মালামাল হাতিয়ে নেওয়ার চক্রের চার সদস্যকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, মোবাইল, নগদ অর্থ ও ঘুমের ওষুধ জব্দ করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকাল ৩টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, পুলিশ বগুড়া ও গাইবান্ধা জেলায় একটানা ১৮ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার লোহাই মুরি এলাকার মন্ত মিয়ার ছেলে ইব্রাহীম ওরফে ইমন (৩৪), বরগুনা জেলার খেজুর তলা এলাকার ইসাইল হোসেনের ছেলে হুমায়ন কবির (৫০), বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার ফুল দিঘি পূর্ব পাড়া এলাকার মজিবর রহমানের ছেলে খাজা মিয়া (৫৬), গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার জিরাই এলাকার ছই মুদ্দিনের ছেলে আব্দুল গফুর (৪১)।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ১০ জুলাই নওগাঁ সদর হাসপাতালে রুগি দেখার অজুহাতে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একজন ব্যক্তি অটোরিকশা রিজার্ভ ভাড়া নেয়। পরে হাসপাতলে উপস্থিত হলে আরো দুইজন ব্যক্তি নবজাতক শিশু জন্মগ্রহণ করায় তাদের মিষ্টি খেতে দেয়। এভাবে তারা চালকের বিশ্বাস অর্জন করে পরে চালককে একটি ডাব খেতে দেয়। সেই ডাবে আগেই বিষাক্ত চেতনানাশক মিশিয়ে রাখা হয়। চেতনানাশক মিশ্রিত ডাবের পানি খেয়ে চালক অজ্ঞান হয়ে গেলে, তারা সেই সুযোগে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ, বিভিন্ন অপরাধীর ডাটা বিশ্লেষণ, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে আসামিদের শনাক্ত করা হয় এবং বগুড়া ও গাইবান্ধা জেলায় একটানা ১৮ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে চুরি হওয়া অটোরিকশা, ঘুমের ওষুধ, ১টি মোটরসাইকেল, ৮টি মোবাইল ও ১১ হাজার ৪৩০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেছেন, আসামি ইব্রাহীম এবং হুমায়ুনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। বেশ কিছু বছর ধরে তারা মানুষকে ডাবের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে ও ভুল তথ্য দিয়ে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিতেন। অপর দুই আসামি খাজা মিয়া ও আব্দুল গফুর প্রতারকদের সম্পদ ক্রয় করে বিক্রি করতো। তাদের সকলের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন