প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের সঙ্গে অনেক বিষয়ে লিখিত ও অলিখিত আলোচনা প্রয়োজন।
তিনি উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া এখনই স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া নির্বাচন কমিশনের জন্য যৌক্তিক হবে না। তবে কমিশন অক্টোবর মাসকে সামনে রেখে প্রস্তুতির কাজ এগিয়ে নিয়ে চলেছে।
গতকাল সোমবার, রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) ফল উৎসবে এ কথা বলেন আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি জানালেন, অক্টোবরে নির্বাচনের পরিকল্পনা থাকলে, তার ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করতে হবে এবং কমিশনের প্রস্তুতি সে অনুযায়ী চলছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সীমানা নির্ধারণের পাশাপাশি সেগুলো সংশ্লিষ্ট জটিলতা নিরসনেও সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে কাজ করতে হবে। এ বিষয়ে সরকারকে চিঠি দিয়ে দ্রুত সীমানাসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের অনুরোধ জানানো হবে এবং যেখানে সীমানা সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে, সেগুলোর তালিকা নির্বাচন কমিশনকে দিতে government's অনুরোধ জানানো হবে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠান বর্তমানে শূন্য রয়েছে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ ও জেলা পরিষদ—এসব সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান শূন্য অবস্থায় রয়েছে। তবে একটি নির্বাচনের সঙ্গে আরেকটি নির্বাচন সম্পর্কিত রয়েছে। উপজেলা পরিষদে পদাধিকারবলে সংশ্লিষ্ট পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাই পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ছাড়া উপজেলা পরিষদ গঠন সম্ভব নয়। সিটি করপোরেশন আলাদা, সেখানে প্রশাসক দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে।
কোন নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে—এ বিষয়ে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সব নির্বাচন এখনো বাকী রয়েছে এবং আইনগত বাধ্যবাধকতাও বিদ্যমান। তবে সব নির্বাচন একসঙ্গে করা সম্ভব নয়। মানুষের প্রয়োজন এবং বিভিন্ন স্থানে যে সমস্যা রয়েছে, তা বিবেচনায় নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে তফসিল ঘোষণা করা হবে।
তিনি আরো জানান, অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। যদি প্রয়োজন হয়, নির্বাচন পেছানো যেতে পারে, তবে আগানো সম্ভব নয়। তাই অক্টোবরে নির্বাচন হবে—এমন প্রস্তুতি নিয়েই কমিশন অন্যান্য সব কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন