প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, গারো পাহাড়ে হাতির অভয়ারণ্য গঠন ও পর্যটন উন্নয়ন করা হলে হাতি ও মানুষের মধ্যে সংঘাতের অবসান ঘটবে। পাশাপাশি অবৈধ বন দখলও বন্ধ হবে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে অনুষ্ঠিত একটি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম, গণমাধ্যমকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবীরা।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে হাতির চলাচলের জন্য ছয়টি করিডোর তৈরির বিষয়ে ভারতের সাথে একটি চুক্তির (এমওইউ) আওতায় মিটিংয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী ৩/৪ মাসের মধ্যে এই মিটিং অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে আমাদের চেয়েও বেশি চিন্তা করেন। এ কারণেই আমরা এখানে এসেছি।" শেরপুরের গারো পাহাড়ে হাতির অভয়ারণ্যের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বনবিভাগের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।
এ সময় জেলা প্রশাসন, বনবিভাগ, গণমাধ্যমকর্মী, ইআরটির সদস্যগণ, উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে, মন্ত্রী হাতির আক্রমণে হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করেন এবং ৩২টি ইআরটি টিমের মধ্যে জগলাইটসহ হাতি তাড়ানোর সরঞ্জাম বিতরণ করেন।
এর আগে, মন্ত্রী গারো পাহাড়ে হাতির চলাচলের করিডোর পরিদর্শন করেন। পরে তিনি ঝিনাইগাতী উপজেলায় মতবিনিময় সভা করেন এবং হাতির আক্রমণে হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন