প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করেছেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরীফ, যিনি প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফজলে খোদা মোহাম্মদ নাজিরের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন।
শুনানি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, "ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরীফ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।" এই সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করেন। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ৩০ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে।
শুনানির সময় মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়। অন্য আসামিদের কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষের সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তার বাবা জামাল উদ্দিন কোতোয়ালি থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এবং তৎকালীন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনকে আসামি করা হয়।
জুন মাসে মামলাটি বিচার উপযোগী বিবেচিত হওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে এ মামলায় ২৭ জন আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন, এবং ১২ জন আসামি পলাতক রয়েছে।
এর আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাবা জামাল উদ্দিনের সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন