প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৬ আগস্ট ২০২৬ : ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ নিয়ে রোমাঞ্চিত অস্ট্রেলিয়ার ডান-হাতি পেসার জশ হ্যাজেলউড। বাংলাদেশের বেশিরভাগ টেস্ট ক্রিকেটারের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা না থাকায়, তিনি জানান যে প্রতিপক্ষ নিয়ে খুব বেশি ধারণা নেই। তবে খেলা চলাকালীন পরিস্থিতি বুঝে পরিকল্পনা সাজানোর একটি নকশা কষেছেন হ্যাজেলউড।
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সর্বশেষ টেস্ট ফরম্যাটে মুখোমুখি হয়েছিল ২০১৭ সালে। বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এই দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হয়। ঐ সিরিজে খেলানো মুশফিকুর রহিম, মোমিনুল হক ও তাইজুল ইসলামের বিপক্ষে তিনি খেলেছেন। বাংলাদেশের এই তিন ক্রিকেটার ছাড়া দলের আর কোন খেলোয়াড় সম্পর্কে ধারণা নেই তার।
এছাড়াও, বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার প্রথম টেস্টের ভেন্যু ডারউইন নিয়ে কোন ধারণা নেই হ্যাজেলউডের। কারণ, সর্বশেষ ২০০৪ সালে এই ভেন্যুতে টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর ডারউইনের ভেন্যুতে আর কখনও টেস্ট ম্যাচ হয়নি।
‘আনপ্লেয়েবল পডকাস্ট’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হ্যাজেলউড বলেন, ‘সিরিজটা শুরু করার আগে অনেক কিছুই অজানা। মাঠের পরিস্থিতি অজানা, বিশেষ করে উইকেট এবং এই অবস্থায় প্রতিপক্ষ কেমন হবে। অনেক কিছুই অজানা, তবে আমার মতে এটা বেশ রোমাঞ্চকর।’
ভিডিও ফুটেজ দেখে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সম্পর্কে ধারণা নিচ্ছেন হ্যাজেলউড। তিনি বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ দেখে ব্যাটারদের খেলার ধরন বোঝা সম্ভব। তবে মাঠে নেমে পরিস্থিতি বুঝে নিয়ে নতুন পরিকল্পনার প্রয়োজনও হতে পারে, যা সব সময়ই ব্যতিক্রমী ও নতুনত্বের স্বাদ দিয়ে থাকে।’
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্ট দিয়ে ২০০৩ সালে ডারউইনের অভিষেক হয়। এরপর ঐ ভেন্যুতে ২০০৪ সালে শ্রীলংকার মুখোমুখি হয়েছিল অসিরা।
হ্যামস্ট্রিং ও পেশির চোটের কারণে গত বছরের নভেম্বর থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খেলছেন না হ্যাজেলউড। গত এপ্রিল-মে মাসে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেললেও, এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে পারেননি তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়ে দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে যাচ্ছেন এই ডান-হাতি পেসার।
টেস্টে যথেষ্ট সময় থাকায় খাপ খাইয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে বলে জানান হ্যাজেলউড, ‘টেস্টে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য সময় পাওয়া যায়। প্রথম স্পেলের অর্ধেকটা পার করে দেওয়ার পর মনে হতে পারে, এবার নতুন কিছু চেষ্টা করা যাক। কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে সময় পাওয়া যায় না। ভুল হলেই চার-ছক্কা হজম করতে হয়।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের আগে ৩শ উইকেট শিকারের মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে হ্যাজেলউড। মাত্র ৫ উইকেট প্রয়োজন তার। এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার আটজন বোলার ও ছয়জন পেসার টেস্টে ৩শ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন