প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মো. হোসেন আলী কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “আমার বুকের মানিকরে এক মাস ধরে খুঁজে বেড়াচ্ছি, কোথাও পাইনি। তোমরা আমার সন্তানরে ফিরাইয়া দাও।” তিনি ২৯ জুলাই ঝিনাইদহ সদরের খাজুরা গ্রাম থেকে নিখোঁজ হওয়া নিজের সন্তানকে এখনও খুঁজে পাননি।
হোসেন আলীর মতো নিখোঁজ ৪০ শিশুর পরিবারের সদস্যরা রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘আমার সন্তান কোথায়?’ শীর্ষক এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।
নিখোঁজ শিশুদের পরিবারের সদস্যরা এবং ‘জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশন’ এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত নিখোঁজ ঘটনাগুলোর কার্যকর তদন্ত ও শিশুদের দ্রুত উদ্ধারের দাবি জানানো হয়।
বাংলাদেশ পুলিশের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ৭ মাসে সারা দেশে মোট ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশু নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ জন শিশুকে ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে অথবা তারা পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে। তবে নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ অর্থাৎ ২ হাজার ৩৮ জন শিশুর সন্ধান এখনও মেলেনি।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ০ থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুদের হারিয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হলো ঠিকানা বা রাস্তা হারিয়ে ফেলা।
১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুরা পারিবারিক কলহ, পড়াশোনার চাপ কিংবা অভিমান করে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
তবে ডিআরইউতে উপস্থিত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, সাধারণ অভিমান বা পথ হারানো নয়, বরং তাদের সন্তানরা অপহরণের শিকার হয়েছে। তারা সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন, যাতে দ্রুত ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাদের সন্তানদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন