প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বল নিয়ে ছোটা মদরিচকে আটকানোর চেষ্টা পানামার এর এক খেলোয়াড়ের। ছবিটি রয়েছে রয়টার্সের।
চল্লিশ বৎসর বয়সেও মদরিচ নিজের সেরা ফর্মে আছেন। তিনি মাঠের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলছেন। পেশাদার ক্যারিয়ারের অনেকেই এই বয়সে অবসর নিয়েছেন, কিন্তু মদরিচের জন্য সেই চিন্তা নেই।
২০০৬ সালে শুরু হওয়া আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে, আজ তিনি একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অর্জন করেছেন। বিশ্বের চতুর্থ ফুটবলার হিসাবে ২০০ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়েছেন। এর আগে এই কীর্তি গড়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, বদের আল-মুতাওয়া এবং লিওনেল মেসি।
মদরিচের মালিকের রাতটা স্মরণীয় করে তুলেছেন আন্তে বুদিমির। পানামার বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়াকে জয়সূচক গোল এনে দিয়ে তাঁর অবদান ছিল অসাধারণ। সেই গোলের মাধ্যমে এবারের বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া প্রথম জয় পেল এবং নকআউটে খেলার আশা জাগিয়ে রাখল। বর্তমানে তাদের পয়েন্ট তৃতীয়। বিপরীতে সমান ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে যৌথভাবে তারা শীর্ষে রয়েছে ইংল্যান্ড ও ঘানার সাথে।
ক্রোয়েশিয়া ৫৪ মিনিটে জয়সূচক গোলটি পায়। ডান প্রান্ত থেকে দুর্দান্ত এক ক্রস দেন ইয়োসিপ স্তানিসিচ। গোললাইনের সামনে দাঁড়িয়ে পা দিয়ে বল জালে ঢোকান বুদিমির। গোল হওয়ার সাথে সাথে টরন্টোর গ্যালারিতে ক্রোয়েশিয়া ক্রোয়েশিয়া স্লোগান শুরু হয়ে যায়।
অন্যান্য খেলোয়াড়দের মধ্যে মদরিচও গোলের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারতেন। ম্যাচের ৫৭ মিনিটে, তিনি মুখে তুলে দেওয়া এক গোল বানিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু প্যাসালিচ গোলরক্ষককে একা পেয়ে বল জালে জড়াতে পারেননি। সেই অবস্থায় প্রথমবার সরাসরি গোলরক্ষকের শরীরে মারার পর ফিরতি সুযোগটিও তিনি হারান।
যদিও ম্যাচ জয়ের নায়ক ছিল বুদিমির, কিন্তু ক্রোয়েশিয়াকে প্রতিপক্ষের গোল থেকে পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে না দেওয়ার জন্য ডমিনিক লিভাকোভিচের অবদান উল্লেখযোগ্য। তিনি ৬৮ মিনিটে ডাবল সেভ করেন। কর্নারের বিনিময়ে মুরিল্লোর দুটি শট ঠেকিয়ে জান, পরে ফিরতি কর্নারে ‘পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ’ থেকে হার্ভির হেডও দুর্দান্তভাবে পাঞ্চ করে ক্রোয়েশিয়াকে রক্ষা করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন