প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) অনুষ্ঠিত ‘জবিয়ানদের গরুভোজ’ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীরা টোকেন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর বেলা ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে টোকেন সংগ্রহের জন্য শিক্ষার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
এর আগে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে গরু ও খাসি জবাইয়ের মাধ্যমে মাংস রান্নার প্রস্তুতি গ্রহণ করেন আয়োজকেরা। নিবন্ধন করা শিক্ষার্থীদের ৭০ টাকা ফি পরিশোধের প্রমাণ যাচাই করে টোকেন বিতরণ করা হচ্ছে। আয়োজকেরা জানান, টোকেন প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীরা খাবার সংগ্রহ করতে পারবেন। খাবারের মেন্যুতে গরুর মাংস ও খিচুড়ি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য খাসির মাংসেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আয়োজকদের একজন মন্তব্য করেন, ‘সকাল থেকেই সুশৃঙ্খলভাবে গরু জবাই থেকে শুরু করে রান্নার প্রস্তুতিসহ সব কাজ সম্পন্ন করেছি। যাঁরা আগে নিবন্ধন করেছেন, তাঁদের নিবন্ধনের প্রমাণ যাচাই করে টোকেন দেওয়া হচ্ছে। গরুতে প্রায় তিন মণের মতো মাংস রয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য খাসিও রান্না করা হয়েছে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পূর্বঘোষিত এই কর্মসূচির জন্য শিক্ষার্থীরা ১ লাখ ২৫ হাজার টাকায় একটি গরু ক্রয় করেন। পাশাপাশি, সকল ধর্মের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও পারস্পরিক সম্প্রীতির বার্তা দিতে একটি খাসিও কেনা হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য জনপ্রতি ৭০ টাকা নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পশু জবাই থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রশাসনের দেওয়া বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে এই কর্মসূচির সূচনা ঘটে। এর প্রতিবাদে একদল শিক্ষার্থী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। পরে তাঁরা শুক্রবার ‘জবিয়ানদের গরুভোজ’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন