প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দর হিসেবে প্রথমবারের মতো আবির্ভূত হয়েছে। এয়ারপোর্টস কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনালের (এসিআই) প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইনচিয়ন বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াত করেছেন ৩ কোটি ৮৪ লাখ আন্তর্জাতিক যাত্রী।
৩ কোটি ৭৭ লাখ ৯০ হাজার যাত্রী নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্যের লন্ডন হিথ্রো বিমানবন্দর। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দর, যেটি ৩ কোটি ৪৫ লাখ ৩০ হাজার যাত্রী নিয়ে তালিকায় রয়েছে।
ইনচিয়ন বিমানবন্দরের যাত্রী সংখ্যা বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সংঘাতের কারণে সেই অঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর থেকে যাত্রীদের একটি অংশ ইনচিয়ন হয়ে যাতায়াত করছেন।
২০২৪ ও ২০২৫ সালে একটি পূর্ণ বছরের হিসাবে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছিল বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর। তবে এবার এটি শীর্ষ পাঁচের বাইরে চলে যেতে পারে বলে শঙ্কা আছে। অন্যদিকে, লন্ডন হিথ্রো ২০২৪ সালে পঞ্চম এবং ২০২৫ সালে সপ্তম অবস্থানে ছিল। এ সময়ে ইনচিয়ন যথাক্রমে ১২তম ও ১৩তম অবস্থানে ছিল।
ইনচিয়ন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগে ইউরোপে যাওয়ার পথে দুবাইয়ে ট্রানজিট করতেন এমন কিছু যাত্রী এখন ইনচিয়ন হয়ে ইউরোপে যাচ্ছেন। এই পরিবর্তনের ফলে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ট্রানজিট যাত্রীর সংখ্যা ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ইউরোপকে চূড়ান্ত গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়া ট্রানজিট যাত্রীর সংখ্যা ৬৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ২ লাখ ১০ হাজারে পৌঁছেছে। ইনচিয়ন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবকাঠামো সম্প্রসারণের ফলে বিমানবন্দরটি এখন আরো বেশি যাত্রী ও ফ্লাইটের চাপ সামলাতে পারছে। ২০০১ সালে চালু হওয়া এই বিমানবন্দর বর্তমানে বিশ্বের ১৫৮টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করে।
হংকং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ১৩৯টি, সাংহাইয়ের পুডং বিমানবন্দর ৯২টি এবং টোকিওর নারিতা বিমানবন্দর ৮৬টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করে।
ইনচিয়ন বিমানবন্দর করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট কিম বিওম-হো বলেন, ‘ইনচিয়নকে বিশ্বের এক নম্বর বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সহযোগিতা, সাধারণ মানুষের উৎসাহ এবং বিমানবন্দরে কর্মরত সবার কঠোর পরিশ্রমের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’
তিনি যোগ করেছেন, যাত্রীদের সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিমানবন্দরটির সেবার মান উন্নত করা এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পরিকল্পনা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন