প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পশ্চিম আফ্রিকার গাম্বিয়ার উপকূলে অভিবাসীদের নিয়ে যাওয়া একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। বৃহস্পতিবার রেড ক্রস এই তথ্য প্রকাশ করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
নৌকাটি ‘জিনাক কাজাতা’ গ্রাম থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এই গ্রামটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি দ্বীপে অবস্থিত এবং স্থানীয়দের মতে, এটি স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর চেষ্টা করা অভিবাসীদের জন্য একটি প্রধান যাত্রা পয়েন্টে পরিণত হয়েছে।
তীব্র স্রোত এবং জরাজীর্ণ ও অতিরিক্ত বোঝাই নৌযান ব্যবহারের কারণে পশ্চিম আফ্রিকা থেকে এই দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।
গাম্বিয়া রেড ক্রস সোসাইটি বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নিখোঁজ ব্যক্তির সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় এ বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে জিনাক কাজাতার উপকূলে অভিবাসীবাহী আরেকটি নৌকা ডুবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল। ওই দুর্ঘটনায় ৪০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় এবং প্রায় ১০০ জন নিখোঁজ ছিল।
মরক্কো, মৌরিতানিয়া ও সেনেগালের উপকূলে সাম্প্রতিক সময়ে নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। এর ফলে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করা অভিবাসীরা আরও দক্ষিণের পথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে সমুদ্রযাত্রার দূরত্ব এবং ঝুঁকি—দুটিই বেড়ে গেছে।
দারিদ্র্য, সংঘাত ও নিপীড়ন থেকে পালিয়ে ইউরোপে আশ্রয় নিতে ইচ্ছুক অভিবাসীদের জন্য ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ অন্যতম প্রধান প্রবেশপথ হিসেবে বিবেচিত হয়। ইতালি ও গ্রিসের দিকে ভূমধ্যসাগরীয় পথও অভিবাসীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৪ সালে আটলান্টিক মহাসাগরের এ দ্বীপপুঞ্জে অভিবাসীদের আগমন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। সে বছর ৪৬ হাজারের বেশি মানুষ সেখানে পৌঁছান। তবে স্পেনের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসীদের আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন