প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী তাপসী পান্নু ১৩ বছরের সম্পর্কের পর বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন। এর মধ্যে তিন বছরের দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত হয়েছে। সময়ের সঙ্গে, অভিনেত্রী তাপসী পান্নু এবং সাবেক ড্যানিশ ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় মাথিয়াস বোরের সংসার গড়িয়েছে। অভিনেত্রী সাধারণত সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে দেখা যায় না। সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিগত মুহূর্ত প্রকাশের পথে তিনি হাঁটেননি। তবে সম্প্রতি নয়নদীপ রক্ষিতের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় ১৩ বছরের দীর্ঘ সম্পর্ক এবং তা টিকিয়ে রাখার সিক্রেট ফাঁস করেছেন তাপসী পান্নু।
তবে কেন আজকের দিনে সম্পর্ক আরও কঠিন মনে হচ্ছে, তার সুনির্দিষ্ট উত্তর অভিনেত্রীর কাছে নেই। অনুমান করা হচ্ছে— হয়তো মানুষের প্রত্যাশা বদলেছে অথবা জীবনের অগ্রাধিকারে পরিবর্তন এসেছে। তবে তার অভিজ্ঞতায় দীর্ঘ সম্পর্কের ভিত্তি গড়ে ওঠে নিরাপত্তা, সম্মান, বোঝাপড়া এবং পরে ভালোবাসার মাধ্যমে।
তাপসীর কথায় বোঝা যায়, প্রেমে সম্মান কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মনে করেন, ভালোবাসায় শুধু আবেগ বা আকর্ষণ থাকলেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয় না, বরং প্রয়োজন পরস্পরের প্রতি সম্মান। সঙ্গীর মতামত, ব্যক্তিস্বাধীনতা, পছন্দ-অপছন্দ এবং সীমারেখাকে গুরুত্ব দিলে সম্পর্কের মধ্যে নিরাপত্তা ও বিশ্বাস তৈরি হয়। মতবিরোধ থাকলেও একে অপরকে ছোট না করে কথা বলা সম্ভব হয়।
যখন সম্মান থাকে, দুজনেই নিজেদের মতো করে বেড়ে ওঠার সুযোগ পান এবং সম্পর্কের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের বদলে পারস্পরিক বোঝাপড়া গড়ে ওঠে। তাই সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী ভালোবাসার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো— পারস্পরিক সম্মান।
তাপসী পান্নু বলেন, তার এবং মাথিয়াসের সম্পর্কের ভিত্তি শুধুমাত্র ভালোবাসা নয়। একে অপরের সঙ্গে নিরাপদ বোধ করা এবং পারস্পরিক সম্মানই তাদের সম্পর্ককে এত বছর ধরে শক্ত রেখেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, "দুজন মানুষের মধ্যে গভীর শ্রদ্ধাবোধ না থাকলে কোনো সম্পর্ক দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না। আমার কাছে ভালোবাসা গুরুত্বপূর্ণ। তবে তারও আগে আসে পরস্পরের প্রতি সম্মান ও নিরাপত্তার অনুভূতি।"
বলিউডে আত্মপ্রকাশের বছরেই মাথিয়াসের সঙ্গে তার সম্পর্কের শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। এত বছর পরও, তিনি মাথিয়াসকে নিজের জীবনের সঙ্গে মানানসই মানুষ হিসেবেই দেখেন। তাপসী পান্নু বলেন, তিনি যে একটুও ভুল করেননি, সে কথাও খোলাসা করেন।
তিনি জানান, মাথিয়াসকে বেছে নেওয়া তার জীবনের অন্যতম সেরা সিদ্ধান্ত। পরিবারকে তিনি ঈশ্বরের দেওয়া উপহার হিসেবে দেখেন, আর পেশাগত জীবনও পুরোপুরি পরিকল্পিতভাবে বেছে নেননি। তবে জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়াটা ছিল তার নিজের সিদ্ধান্ত। সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি গর্বিত বলেও জানান।
তাপসী পান্নু বলেন, "বর্তমান সময়ে দীর্ঘস্থায়ী ভালোবাসা খুঁজে পাওয়া অনেকের কাছে কঠিন হয়ে উঠছে।" শুধু একটি প্রজন্ম নয়, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির তার সহকর্মীদের মধ্যেও অনেককে তিনি সত্যিকারের ভালোবাসা, মানসিক সমর্থন এবং কোম্পানিয়নশিপ খুঁজতে দেখেছেন। তার মতে, মানুষ যে পেশাতেই থাকুক না কেন, প্রত্যেকেরই ভালোবাসা, পাশে থাকার মানুষ এবং সঙ্গ প্রয়োজন। কিন্তু সেই সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া ক্রমশ কঠিন হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন