প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মডেলিং ও অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজকর্মী হিসেবে পরিচিত রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। উচ্চশিক্ষার বিষয় নির্বাচনের পেছনে তার অজানা ও কৌতূহলোদ্দীপক গল্প তিনি এক পডকাস্টে শেয়ার করেছেন।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানে তিনি অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। তবে এই বিষয়টি বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি ছিল তার জন্য অনেকটা আকস্মিক। ছোটবেলায় মায়ের হাত ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে যাওয়া-আসার স্মৃতি পরবর্তী সময়ে তার বিষয় নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলে।
মিথিলা জানান, এসএসসি ও এইচএসসি দুটিই তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাশ করেছেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ক্ষেত্রে পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি কলেজে পড়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাকে। তিনি বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা করেছি। অনার্স এবং মাস্টার্স দুটোই।’
মিথিলার কথায়, ‘আমার ধারণা, অবচেতন মনে আমার ভেতরে একটা ভালোবাসা ছিল ওই জায়গাটার প্রতি। তো সেখান থেকে আমি ভাবলাম যে, না ঠিক আছে আমি ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়বো। কিন্তু যদি পড়ি তাহলে আমি কলাভবনেই পড়ব। আমি অন্য কোনো ডিপার্টমেন্টে পড়ব না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সায়েন্সের মানে ম্যাথস, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি এসব বিষয় পড়ে আমার অভ্যাস। তো সেখানে (কলা ভবন) যাওয়ার পর যখন আমাকে বিভিন্ন ধরনের বিষয় বলা হচ্ছিল, পলিটিক্যাল সায়েন্স, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ, ইকোনমিক্স— আমি কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।’
পরিবারে তিনিই প্রথম প্রজন্মের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। ফলে কোন বিষয় বেছে নেওয়া উচিত, সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার মতো অভিজ্ঞতাও তার কাছে ছিল না। ভর্তি সাক্ষাৎকারের সময় তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বেছে নিতে বলা হলে তিনি সেটিই গ্রহণ করেন।
মিথিলার কথায়, ইন্টারভিউয়ের সময় তাকে বলা হয়, ‘তুমি রাষ্ট্রবিজ্ঞান না?’ তিনি বলেন, ঠিক আছে। তার মধ্যে বিজ্ঞান তো আছে। সেরকমভাবে কিছু জেনে বুঝে তিনি তার বিষয়টি নির্বাচন করতে পারেননি আসলে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন